আমাদের আজকের এই পোস্টটিতে আমরা ” ইট ” সম্পর্কে কিছু লেখা তুলে ধরব। বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ মানুষ সামাজিক মাধ্যমেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজের মনোভাব তুলে ধরার চেষ্টা করে, তাই আপনাদের মধ্যে যারা এই বিষয় নিয়ে স্ট্যাটাস, ক্যাপশন, উক্তি, ছন্দ ইত্যাদি খোঁজ করে থাকেন তারা এই পোস্টে থাকা লেখাগুলো খুব সহজেই সংগ্রহ করে নিতে পারবেন। আশা করছি এই লেখাগুলো পাঠকদের পছন্দ মতন হবে এবং বিভিন্ন সময়ে ব্যবহার করার যোগ্য হবে।
ইট নিয়ে ক্যাপশন, Best caption about brick in Bangla
তুমি ইট পাথরের তৈরি অট্টালিকায় থেকে নিজের মনকে পাথরের মত করে তুলেছো, কিন্তু আমি মাটির ঘরে থাকি বলে মনটাকে মাটির মানুষের মত করে রাখতে পেরেছি।
শহর কোনো ইট পাথরের বন নয় বরং তা হলো মানুষের চিড়িয়াখানা।
ইট-পাথরের ভারে দিন দিন সবুজ ফিকে হয়ে যাচ্ছে নগরীতে।
নিজের বাড়ির চালে ফুটো থাকলেও শ্রমিকেরা নিজের দিন রাত এক করে দিয়ে ইটের সাথে ইট জুড়ে দিয়ে পরের বাড়ি তৈরি করে দিতে পারে।
ইটের তৈরি দালানে ভরা শহরগুলো গাড়ির বহর খুব ব্যস্ত, কিন্তু এখানে গ্রামের সবুজের ছায়ায় বাঁধা মাটির ঘরে থাকার মতো সুখ নেই।
আমাদের মধ্যে থাকা কোনো ইটের দেয়াল দুজনকে দূরে রাখার জন্য নয়, বরং সেই ইটের দেয়াল আমাদেরকে বোঝার মত একটি সুযোগ করে দেয় যে আমরা একে অপরকে দেখতে পাওয়ার জন্য কতটা উৎসুক।
প্রকৃতির সৌন্দর্য যেন ইটের তৈরি ইমারতের ভিড়ে কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে।
নরম কাদা একবার পুড়ে যদি ইট হয়ে যায়, তারপর যতই জল ঢালা হোক না কেন, তা আর গলে না বরং শক্তিশালী হয়। মানুষের মনও একই রকম, একবার কষ্ট পেলে এরপর শত আবেগেও তার কোন পরিবর্তন হয় না।
এই ইট পাথরের শহরে স্বপ্নের খোঁজে এসেছিলাম, কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি বুঝতে পেরেছি যে এখানে প্রতিদিনই অনেক স্বপ্ন পাথর চাপা পড়ে মরে যায়।
আমার বাবা মা অনেক কষ্ট করে উপার্জিত টাকা দিয়ে প্রতিটা ইট নিজের হাতে বসিয়ে বসিয়ে এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন, যেন আমি সুখে থাকতে পারি। আমি তাদের এই অবদানের জন্য সর্বদাই তাদের কাছে ঋণী হয়ে থাকবো, কারণ আমাকে ভালো জীবন দেওয়ার জন্য তারা নিজের জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছেন।
এই ইট পাথরের শহরে ভাঙ্গা মনগুলো গুমড়ে কেঁদে মরে।
কখনো কখনো জীবন আপনার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করবে। তখন নিজের উপর বিশ্বাস হারাবেন না, বরং কিভাবে এই আঘাত সহ্য করেও এগিয়ে যাওয়া যায় তার চেষ্টা করবেন।
ইট পাথরের তৈরি বাড়িতে থেকে অহংকার কোরো না, একটি ভূমিকম্প তোমার বাড়িতে ফাটল ধরিয়ে দিতে পারে।
এই ইট পাথরের শহরে এখন আর আবেগ বলতে কিছু নেই।
ইট ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গেলেও এর টুকরোগুলোকেও তুমি বাড়ি তৈরির কাজে লাগিয়ে নিতে পারবে, ইটের থেকে কিছুই ফেলনা নয়, বরং গুঁড়ো হোক কিংবা টুকরো, ইট যেকোনো ভাবে কাজে লাগানো যায়।
ইট-পাথরের শহরে সবুজের দেখা মেলা ভার। যেদিকে তাকাবেন শুধু সুউচ্চ ভবন।
ইট-পাথরের মধ্যে অযত্ন অবহেলায় বেড়ে ওঠে সবুজ। মানুষ যতই সবুজ ধ্বংস করুক না কেন প্রকৃতি নিজ দায়িত্বে সবুজ করে চলেছে আমাদের চারপাশ।
বর্তমান যান্ত্রিকতার যুগে এসে দাঁড়িয়েছে, আর এই যান্ত্রিকতার যুগে যন্ত্রের সংস্পর্শে মানব-যন্ত্র একেবারে যান্ত্রিক হয়ে পড়েছে৷ অনুভূতি, সহানুভূতি, সহৃদয়তা — সদগুনাবলী যান্ত্রিকতার নিষ্পেষণে কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে ৷ মানুষ যেন ক্রমে ইট, কাঠ, পাথরে পরিণত হচ্ছে, তাদের মনও ইট পাথরের মত জড় হয়ে উঠেছে ৷
জ্ঞানী সে নয় যে ইটের জবাব পাথর দিয়ে দেয়, জ্ঞানী সে যে নিক্ষিপ্ত ইট দিয়ে ঘর তৈরি করে।
ইট পাথরের এ শহরে, গাড়ি বাড়ির এ বহরে, খুঁজছে এ মন ভীষণ করে তোমার এক ঝলক।
শহরগুলো ইট পাথরের দালান বাড়ি দিয়ে ভরা, বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় যেন কত সুখ স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে তাদের বাস, কিন্তু ভেতরে গিয়ে দেখলে বোঝা যায় যে তাদের মধ্যে একে অপরকে নিয়ে তেমন টান নেই, নাম মাত্রই তারা এক ছাদের নিচে আছে।
যাহার প্রাসাদতুল্য অট্টালিকা নদীগর্ভে ভাঙ্গিয়া পড়িতেছে, সে আর খান কতক ইট বাঁচাইবার জন্য নদীর সহিত কলহ করিতে চাহে না।
শুকনো মাটি জলে ভিজলে গলে যায়, কিন্তু সেই মাটিই যখন দগ্ধ হয়ে ইটে পরিণত হয় তখন জল দিলে আর গলে যায় না, বরং আরো শক্ত হয়ে ওঠে।
তুমি ভেতর থেকে ভেঙ্গে পড়ছো সেটা কাউকে বুঝতে দিও না, কারণ লোকে ভেঙ্গে যাওয়া বাড়ির ইট পর্যন্ত খুলে নিয়ে যায়।
একটা পুরোনো বিচ্ছিরি রঙচটা বাড়ি। যতক্ষণ বাড়ির বাইরে থাকি ততক্ষণ শান্তি ! অথচ সারাদিনের পরিশ্রমের পরে ক্লান্ত পায়ে মনে হয় কতক্ষণে বাড়িতে ফিরব ! বাড়ি কি শুধুই কিছু ইট পাথরের গাঁথুনি ? নাকি তার চেয়েও অনেক বেশী কিছু আছে তা মাঝে মাঝে বুঝতে পারি না !
চারিদিকে গড়িয়াছে বহু ইটভাটা; উর্বর মাটির দেয় ইটের আকার- অনলে দহিত করে, শুষ্ক-রসছাটা! ইটের ভাটার এই নির্দয় দহনে- মৃত্তিকা শুকিয়ে মরে নিষ্প্রাণ ভুবনে!
ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই হাজিরা। উদয়াস্ত বিরতিহীন পরিশ্রম। শ্রমিকদের কেউ ইট বানাচ্ছেন, কেউ ইট বহন করছেন। দিন শেষে নগদ প্রাপ্তির ভাঁড়ারজুড়ে শূন্যতা অনেকটাই। তিন বেলা খাবারের সংস্থানই কষ্টের। ইট ভাটাতেও তাই কারও কারও সঙ্গী পরিবারের অন্য সদস্যরাও। রোদ কিংবা বৃষ্টি— আবহাওয়া যেমনই থাকুক, তাদের পরিশ্রমের কমতি থাকার জো নেই। ভারী বর্ষণে ভাটায় পানি জমে গেলেও উপায় নেই কাজ থামানোর।
ধুলো ধূসর ইট পাথরের এই শহরেভাঙ্গা রাস্তার প্যাঁচানো সব মোড়েটুকরো টুকরো জীবন রয় পড়ে।হাজার মানুষের হাজার গল্প রোজই তো কোথাও না কোথাও একে অপরকে ছেদ করেএই ধুলো ধূসর ইট পাথরের শহরেসুখ-দুখ সব সাজানো থরে থরে।কে জানে কার ভাগে কখন কি পড়ে, কে যে কি করে…স্বার্থের ঘোরে কিংবা পরের তরে বড্ড জড়তবু প্রাণের শহরে তোমার আমার ভিন্ন ভিন্ন গল্পেরা আলাদাভাবে একই রাস্তা অতিক্রম করে।
এই ইট পাথরের শহরে কিছু নেই,যেদিকে তাকাই মহা তমিস্রায় আচ্ছাদিত!কোকিলের কুহুকুহু ডাক নেইআকা- বাঁকা পথ নেইকলকারখানার কর্কশ গানে দেহে রুষ্টতা আনে?এই ইট পাথরের শহরের কিছু নেইযা আছে সব মেকীপ্রকৃতির রূপ দেখিনা আবর্জনার স্তূপ দেখি!
ইট ভাটার দীর্ঘ খাম্বা দেখলে,মনে হয় যেন দিল্লির কুতুব মিনার!ইট ভাটায় জ্বলে আগুন অগ্নিগিরির মতন,নয় ধ্বংসের জন্য, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে!নতুন ইটের জন্ম হয়,আশেপাশের সবুজ গাছ-গাছালি,শেষ নিঃশ্বাস করে ত্যাগ,বিষাক্ত ধোঁয়ায় বাঁচা যে বড় দায়!ইট পুড়ছে তো পুড়ছেই,নরকে পুড়তে থাকা পাপীদের মতন
আমরা চেষ্টা করেছি আজকের এই পোস্ট দ্বারা “ইট” নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস, ক্যাপশন, ছন্দ ও কবিতা ইত্যাদি আপনাদের কাছে তুলে ধরার। আশা করি আজকের এই পোস্ট ভালো লেগেছে। এই পোস্টটি যদি আপনাদের মনোগ্রাহী হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনার আত্মীয় পরিজন ও বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে নিতে পারেন। এরূপ আরো পোস্ট পাওয়ার জন্য নজর রাখুন আমাদের এই ওয়েবসাইটে।