সোশ্যাল মিডিয়াতে আজকাল সবাই নিজের মতো করে স্টেটাস দিয়ে থাকে একটি মানুষের ভাব, অনুভূতি ও তাঁর রুচিবোধের সম্পর্কে তার প্রদেয় স্টেটাস টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বন্ধুবান্ধব বা প্রিয়জনদের কাছে নিজের মনের ভাব সবসময় নিজের ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব হয় না ,তাই কখনো কখনো কাব্যের সহায়তা নিতে হয় ।
আমাদের দেশে বিভিন্ন কবি এবং লেখক তাদের বলিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমে এমন কিছু ভাব ও বক্তব্য প্রকাশ করে গেছেন যা আমাদের মনের ভাবের সাথে ও মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় । তাই তাঁদের লেখা অবলম্বন করে অথবা অনুসরণ করে আমরা অনেক ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়াতে স্টেটাস দিয়ে থাকি যা আমাদের প্রোফাইলকে আরও সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে । সেরকমই কিছু অসম্ভব সুন্দর কাব্যিক স্টেটাস এবং কাব্য নিয়ে উক্তি নিচে উল্লিখিত হল :
কাব্যিক স্ট্যাটাস, Best poetic quotes in Bengali
মধু নয়, শূন্য বৃন্তে শুভ্রকষধারাকলতলে রক্তকরবীর হু হু কান্না,আমি কী করব? আমি কী করব?রক্তকরবীর ডালে আমি তো ফুটিনি ।আমি পৃথিবীর দুঃখী ফুল,মানুষের হৃদয়ে ফুটেছি।
এ না হলে বসন্ত কিসের? দোলা চাই অভ্যন্তরে,মনের ভিতর জুড়ে আরো এক মনের মর্মর,পাতা ঝরা, স্বচক্ষে স্বকর্ণে দেখা চাঁদ, জ্যোৎস্নাময়রাতের উল্লাসে কালো বিষ । এ না হলে বসন্ত কিসের ?
আমি হয়তো মানুষ নই, মানুষগুলো অন্যরকম,হাঁটতে পারে, বসতে পারে, এ-ঘর থেকে ও-ঘরে যায়,মানুষগুলো অন্যরকম, সাপে কাটলে দৌড়ে পালায় ।আমি হয়তো মানুষ নই, সারাটা দিন দাঁড়িয়ে থাকি,গাছের মতো দাঁড়িয়ে থাকি।
এ তুমি কেমন তুমি চোখের তারায় আয়না ধরোএ কেমন কান্না তুমি আমায় যখন আদর করো”
আমার একলা আকাশথমকে গেছেরাতের স্রোতে ভেসেশুধু তোমায় ভালবেসেআমার দিনগুলোসব রঙ চিনেছেতোমার কাছে এসেশুধু তোমায় ভালবেসে
কেউ বলে ফাল্গুনকেউ বলে পলাশের মাসআমি বলি আমার সর্বনাশ,কেউ বলে দখিনাকেউ বলে মাতাল বাতাস,আমি বলি আমার দীর্ঘশ্বাস।
সন্ন্যাসীর মতো হাহাকার করে উঠি-দেখা দাও, দেখা দাও,পরমুহূর্তেই ফের চোখ মুছি।হেসে বলি,তুমি যেখানেই যাও, আমি সঙ্গে আছি!
সবাই ছেড়েছে নাই যার কেহতুমি আছ তার আছে তব কেহনিরাশ্রয় জন পথ যার যেওসেও আছে তব ভবনে।
আজকাল তো ব্যস্ততাও বেড়েছে খুব।সেদিন দেখলাম সেই ভালবাসাগুলোকাকে যেন দিতে খুব ব্যস্ত তুমি,যেগুলো তোমাকে আমি দিয়েছিলাম ৷
বিখ্যাত কাব্যিক ক্যাপশন, Best ever kabyik caption
তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছিশত রূপে শত বারজনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার।চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয়গাঁথিয়াছে গীতহার,কত রূপ ধরে পরেছ গলায়,নিয়েছ সে উপহারজনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার।
অমন আড়াল দিয়ে লুকিয়ে গেলেচলবে না।এবার হৃদয় মাঝে লুকিয়ে বোসো,কেউ জানবে না, কেউ বলবে না।বিশ্বে তোমার লুকোচুরি,দেশ বিদেশে কতই ঘুরি –এবার বলো আমার মনের কোণেদেবে ধরা, ছলবে না।
হাতে তুলে দাও আকাশের চাঁদ —এই হল তার বুলি।দিবস রজনী যেতেছে বহিয়া,কাঁদে সে দু হাত তুলি।হাসিছে আকাশ, বহিছে বাতাস,পাখিরা গাহিছে সুখে।সকালে রাখাল চলিয়াছে মাঠে,বিকালে ঘরের মুখে।বালক বালিকা ভাই বোনে মিলেখেলিছে আঙিনা-কোণে,কোলের শিশুরে হেরিয়া জননীহাসিছে আপন মনে।আমার হৃদয়ভূমি-মাঝখানেজাগিয়া রয়েছে নিতিঅচল ধবল শৈল-সমানএকটি অচল স্মৃতি।প্রতিদিন ঘিরি ঘিরিসে নীরব হিমগিরিআমার দিবস আমার রজনীআসিছে যেতেছে ফিরি।
আমার হৃদয় প্রাণসকলই করেছি দান,কেবল শরমখানি রেখেছি।চাহিয়া নিজের পানেনিশিদিন সাবধানেসযতনে আপনারে ঢেকেছি।
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি,কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক।মেঘলাদিনে দেখেছিলেম মাঠেকালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ।ঘোমটা মাথায় ছিলনা তার মোটে,মুক্তবেণী পিঠের ‘পরে লোটে।কালো? তা সে যতই কালো হোক,দেখেছি তার কালো হরিণ-চোখ।
স্তব্ধ হল দশ দিক নত করি আঁখিবন্ধ করি দিল গান যত ছিল পাখি।শান্ত হয়ে গেল বায়ু, জলকলস্বরমুহূর্তে থামিয়া গেল, বনের মর্মরবনের মর্মের মাঝে মিলাইল ধীরে।নিস্তরঙ্গ তটিনীর জনশূন্য তীরেনিঃশব্দে নামিল আসি সায়াহ্নচ্ছায়ায়নিস্তব্ধ গগনপ্রান্ত নির্বাক্ ধরায়।সেইক্ষণে বাতায়নে নীরব নির্জনআমাদের দুজনের প্রথম চুম্বন।দিক্-দিগন্তরে বাজি উঠিল তখনিদেবালয়ে আরতির শঙ্খঘণ্টাধ্বনি।অনন্ত নক্ষত্রলোক উঠিল শিহরি,আমাদের চক্ষে এল অশ্রুজল ভরি।
কাব্যিক ক্যাপশন সংক্রান্ত আমাদের আজকের এই পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে আশা করি বেস্ট বাংলা ক্যাপশন ও বায়ো কালেকশান সম্পর্কিত আমাদের পোস্টটি ও আপনাদের মনের মতন হবে।
সেরা নতুন কাব্যিক ক্যাপশন, Best new poetic captions
তবু তোমাকে ভালোবেসেমুহূর্তের মধ্যে ফিরে এসেবুঝেছি অকূলে জেগে রয়ঘড়ির সময়ে আর মহাকালে যেখানেই রাখি এ হৃদয় ।
ঘুমের থেকে দুহাত দূরে… চোখের মায়ায় জাল বুনে-তোমায় এবার পলাশ দেবো। এই বসন্তে ফাল্গুনে…
সময় থেকে খুলে ফেলে রাতের ছিপি,পাঠোদ্ধারে বসেছি আজ। তোর শিলালিপির।
শেষবার তার সাথে যখন হয়েছে দেখা মাঠের উপরেবলিলাম: ‘একদিন এমন সময়আবার আসিয়ো তুমি, আসিবার ইচ্ছা যদি হয়!–পঁচিশ বছর পরে!
হেঁয়ালি রেখো না কিছু মনে;হৃদয় রয়েছে ব’লে চাতকের মতন আবেগহৃদয়ের সত্য উজ্জ্বল কথা নয়,-যদিও জেগেছে তাতে জলভারানত কোনো মেঘ;হে প্রেমিক, আত্মরতিমদির কি তুমি?মেঘ;মেঘ, হৃদয়ঃ হৃদয়, আর মরুভূমি শুধু মরুভূমি..
বোকাদের কাছে জ্ঞানী… আর বিবেকের কাছে নির্বোধনিজেকে ভাঁজ করে তাই আজ, কাগজের মতো ছিঁড়বো…
গাছেদের আয়ু থেকে কেড়ে নিলে কিতাব,মানুষের বুকে ধীরে ধীরে সেজে ওঠে চিতা।
এ জীবনে ডাহা ফেল। শূন্যই প্রিয় হয়। শোকে…আমি যত কম চাই। তত বেশি দিয়ে যায় লোকে।
যে জীবন ফড়িংয়ের দোয়েলের – মানুষের সাথে তার হয় নাকো দেখা
কাল রাতে – ফাল্গুনের রাতের আঁধারেযখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদমরিবার হল তার সাধ ।
কতো দেহ এলো,- গেল,- হাত ছুঁয়ে-ছুঁয়েদিয়াছি ফিরায়ে সব,- সমুদ্রের জলে দেহ ধুয়েনক্ষত্রের তলেবসে আছি,- সমুদ্রের জলেদেহ ধুয়ে নিয়াতুমি কি আসিবে কাছে
তুমি আমাকে মেঘ ডাকবার যে বইটা দিয়েছিলে একদিনআজ খুলতেই দেখি তার মধ্যে এক কোমর জল।পরের পাতায় গিয়ে সে এক নদীর অংশ হয়ে দূরে বেঁকে গেছে।
একসময় মনে হত কোনওদিন তোমাকে পাব নাএকসময় মনে হত ইচ্ছে করলেই পাওয়া যায়আজকে শেষবার আমি তোমাকে পেলামকালকের পর থেকে আমাকে নেবে না আর তুমিদুপুর ফুরিয়ে এল।এইবার ফিরে আসবে বাড়ির সবাই।আর একবার, আর একবার, এসোপ্রথম দিনের মতো আবার পুড়িয়ে করো ছাই !
সেই সব স্বপ্ন এখনও বাতাসে উড়ে বেড়ায়শোনা যায় নিঃশ্বাসের শব্দআর সব মরে স্বপ্ন মরে নাঅমরত্বের অন্য নাম হয়।
আমার যৌবনে তুমি স্পর্ধা এনে দিলেতোমার দু’চোখে তবু ভীরুতার হিম।রাত্রিময় আকাশে মিলনান্ত নীলেছোট এই পৃথিবীকে করেছো অসীম।
এক বছর ঘুমোবো না, স্বপ্নে দেখে কপালের ঘামভোরে মুছে নিতে বড় মূর্খের মতন মনে হয়বরং বিস্মৃতি ভালো, পোশাকের মধ্যে ঢেকে রাখা।
এতই অসাড় আমি, চুম্বনও বুঝিনি ।মনে মনে দিয়েছিলে, তাও তো সে না-বোঝার নয়-ঘরে কত লোক ছিল, তাই ঋণ স্বীকার করিনি ।ভয়, যদি কোন ক্ষতি হয় ।
তোমাকে বরং কাছ থেকে আজ দেখি।জটিল দু’চোখে ক’খানা সরলরেখা,তুমি বাঁচলেও, ভালবাসা বাঁচবে কি?এসব প্রশ্ন পরাজয় থেকে শেখা।
দাহ মুছে যাক। দহন জাগুক দাগে।মহীরুহ গেলে নতজানু হয় ঝড়ও।ছাই উড়ে যেতে এক মুহূর্ত লাগে।তোমার আগুন আকাশের চেয়ে বড়।
স্পর্শে এ-লেখা একবারও জাগবে কি?জলে যেরকম ফিরে আসে সম্বিৎ?
তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম, যা কিছু নিজের ছিল দিয়েছিলাম,যা কিছুই অর্জন-উপার্জন !এখন দেখ না ভিখিরির মতো কেমন বসে থাকি।
কারা যেন আজ দুহাতে খুলেছে, ভেঙেছে খিল,মিছিলে আমরা নিমগ্ন তাই, দোলে মিছিল।দু:খ-যুগের ধারায় ধারায়যারা আনে প্রাণ, যারা তা হারায়তারাই ভরিয়ে তুলেছে সাড়ায় হৃদয়-বিল।তারাই এসেছে মিছিলে, আজকে চলে মিছিল।।
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধানযেখানে মিশছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুস্লিম-ক্রীশ্চান।গাহি সাম্যের গান।
আমি তো আমার শপথ রেখেছিঅক্ষরে অক্ষরেযারা প্রতিবাদী তাদের জীবনদিয়েছি নরক করে।দাপিয়ে বেড়াবে আমাদের দলঅন্যে কবে না কথাবজ্র কঠিন রাজ্যশাসনেসেটাই স্বাভাবিকতা।
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংসস্তূপ-পিঠেচলে যেতে হবে আমাদের।চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণপ্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল।
সে ভাষা বোঝে না কেউ,কেউ হাসে, কেউ করে মৃদু তিরস্কার।আমি কিন্তু মনে মনে বুঝেছি সে ভাষা।পেয়েছি নতুন চিঠি আসন্ন যুগেরপরিচয়-পত্র পড়ি ভূমিষ্ঠ শিশুরঅস্পষ্ট কুয়াশাভরা চোখে।
জন্মের দায়, প্রতিভার পাপ নিয়েনিত্য নিয়ত পাথর সরিয়ে হাঁটি।অতল নিষেধে ডুবতে ডুবতে ভাসি,আমার কে আছে একা আমি ছাড়া আর ?
আবিষ্কার করো সেই জগৎ, যার কোথাও কোনো সীমান্ত নেই,যার উপর দিয়ে বাতাস ব’য়ে যায় চিরকালের সমুদ্র থেকে,যার আকাশে এক অনির্বাণ পুঁথি বিস্তীর্ণ-নক্ষত্রময়, বিস্মৃতিহীন।
তিমির রাত্রি, মাতৃমন্ত্রী সান্ত্রীরা সাবধান!যুগ-যুগান্ত সঞ্চিত ব্যথা ঘোষিয়াছে অভিযান।ফেনাইয়া উঠে বঞ্চিত বুকে পুঞ্জিত অভিমান,ইহাদের পথে নিতে হবে সাথে, দিতে হবে অধিকার।
কাব্যিক ক্যাপশন সংক্রান্ত আমাদের আজকের এই পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে আশা করি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা সম্পর্কিত আমাদের পোস্টটি ও আপনাদের মনের মতন হবে।
কাব্য নিয়ে কবিতা, Best poetic phrases in bengali font
যেখানে এসেছি আমি, আমি সেথাকার,দরিদ্র সন্তান আমি দীন ধরণীর।জন্মাবধি যা পেয়েছি সুখদুঃখভারবহু ভাগ্য বলে তাই করিয়াছি স্থির।অসীম ঐশ্বর্যরাশি নাই তোর হাতে,হে শ্যামলা সর্বসহা জননী মৃন্ময়ী।
অবাক পৃথিবী! অবাক যে বারবারদেখি এই দেশে মৃত্যুরই কারবার।হিসেবের খাতা যখনি নিয়েছি হাতেদেখেছি লিখিত–’রক্ত খরচ’ তাতে।এদেশে জন্মে পদাঘাতই শুধু পেলাম,অবাক পৃথিবী! সেলাম, তোমাকে সেলাম!
এই যুদ্ধের দিনগুলো পেরিয়ে গেলেযারা থাকবে, আবার জেনো গড়বে প্রিয়,তুমি অন্ধকারের রাতে ইচ্ছে জ্বেলেকিছু সাহস দিও… কিছু সাহস দিও…
নয়ন তোমারে পায় না দেখিতেরয়েছ নয়নে নয়নে,হৃদয় তোমারে পায় না জানিতেহৃদয়ে রয়েছ গোপনে।
দেখবো দেখাবো পরস্পরকে খুলেযতো সুখ আর দুঃখের সব দাগ,আয় না পাষাণী একবার পথ ভুলেপরীক্ষা হোক কার কতো অনুরাগ।
বইছে আবার চৈতী হাওয়া গুম্রে ওঠে মন,পেয়েছিলাম এম্নি হাওয়ায় তোমার পরশন।তেম্নি আবার মহুয়া-মউমৌমাছিদের কৃষ্ণ-বউপান ক’রে ওই ঢুল্ছে নেশায়, দুল্ছে মহুল বন,ফুল-সৌখিন্ দখিন হাওয়ায় কানন উচাটন।মৌন তব কী কথা বলে বুঝি,অর্থ তারি বেড়াই মনে খুঁজি।চলিয়া যাও তখন মনে বাজে–চিনি না আমি, তোমারে চিনি না যে।
অধিক করি না আশা, কিসের বিষাদ,জনমেছি দু দিনের তরে–যাহা মনে আসে তাই আপনার মনেগান গাই আনন্দের ভরে।
কবিতা বা কাব্য হল মনের বহিঃপ্রকাশের একটি সর্বোৎকৃষ্ট মাধ্যম।এটি লেখার সময় ও পাঠ করার সময় কোনও একটি বিশেষ বিষয়ে আমাদের অনুভূতি এবং চিন্তাভাবনাগুলি কে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে সাহায্য করে যা কোথাও গিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতার সাথে ও এক নিবিড় সংযোগ স্থাপন করে তোলে। তাই অনেকে যারা লিখে মনের ভাব প্রকাশ করতে সক্ষম নয় তারা কাব্যের সহায়তা নিয়ে অতি সহজেই তা করতে পারে।
Oindrila Banerjee, a master's graduate in Modern History from Calcutta University, embodies a diverse range of passions. Her heart resonates with the rhythm of creative expression, finding solace in crafting poetic verses and singing melodies. Beyond her academic pursuits, Oindrila has contributed to the educational realm, serving as a teachers' coordinator in a kindergarten English medium school. Her commitment to nurturing young minds reflects her belief in the transformative power of education. Oindrila's guiding principle in life, encapsulated in the motto, "There are two ways of spreading light: to be the candle or the mirror that reflects it,"