আমাদের আজকের এই পোস্টটিতে আমরা “পাপ” সম্পর্কিত কিছু লেখা তুলে ধরব, আপনাদের মধ্যে যারা এই বিষয় নিয়ে স্ট্যাটাস, ক্যাপশন, উক্তি, ছন্দ ইত্যাদি খোঁজ করে থাকেন তারা এই পোস্টে থাকা লেখাগুলো খুব সহজেই সংগ্রহ করে নিতে পারবেন। আশা করছি এই লেখাগুলো পাঠকদের পছন্দ মতন হবে এবং বিভিন্ন সময়ে ব্যবহার করার যোগ্য হবে।
যেসকল পাপ কাজ তোমরা গোপনে করে থাকো সেগুলোকে নিয়ে নিজের মনেই ভয় করো, কেননা সেই সব পাপের সাক্ষী ও বিচারক স্বয়ং তুমি নিজেই।
একজন যুবকের ক্ষেত্রে পাপ কাজ করা অন্যায়, কিন্তু একজন বৃদ্ধ মানুষের ক্ষেত্রে তা আরো খারাপ।
আমি এমন সব মানুষদের সান্নিধ্য অর্জন করেছিলাম, যারা নিজেদের কোন সৎ কাজকে ছেড়ে দেওয়াকে যতটা ভয় করতেন, তা তােমরা নিজেদের পাপ কাজের পরিণামকে যতটুকু ভয় কর তার চাইতেও হয়তো বেশি।
মন ধরে বায়না, সময় দেখায় আয়না! আমি শঙ্কিত! এতো পাপ জমা আমার?
বৃদ্ধ টিকির অ্যাবস্ট্রাক্ট দান, জন্মের পাপে বেজন্মা পাপী, মুক্তিসেনার ভুলের দেশে পতাকা ফেলে, বাড়ি যায় বাপি।
পাপ-কর্মকে ঘৃণা করতে বলা হয় পাপী ব্যক্তিকে কখনও নয়; কিন্তু সে পাপের বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটলে?
কল্যানপ্রাপ্ত তো সেই ব্যক্তিই হয় যার নিজের পাপ সমূহ তাকে অন্যদের পাপের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করা থেকে বিরত রাখে।
পাপ কাজের বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে, সেগুলোর মধ্যে একটি হল তা পাপী ব্যক্তির কাছ থেকে তার জ্ঞান ছিনিয়ে নেয়।
কিছু নাম লেখা ছিল বালির উপর । পাশাপাশি হেঁটেছিল বেশ কিছু পায়ের ছাপ । সমুদ্র ধুয়ে নিয়ে গেছে, সব তার বুকে । ঢেউ এসে ধুয়ে গেছে, জমানো যত পাপ |
এযুগের যুবক-যুবতীরা পাপকে তেমন ভয় পায় না যতটা তারা সমাজকে ভয় করে !
মানুষের পাপ কাজগুলো অজান্তেই তাদের চেহারাকে কুৎসিত করে দেয়।
কোনও ভালাে কাজের ফলে অন্তরে অহংকার সৃষ্টি হাওয়ার চাইতে, কোনো পাপ কাজের জন্য কোন ব্যক্তি যদি আল্লাহর কাছে নিজের আত্মাকে সমর্পিত করে দেয়, সেটি আল্লাহর কাছে বেশি পছন্দের হবে।
মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে মনে হলো,- “পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে গিয়ে আরো একটা পাপ করে এলাম।’ পাথরকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে ফুলকে হত্যা করলাম।
পাপ কে পুণ্য মনে করলেই পাপ তো আর পুণ্য হবেনা ৷ঈশ্বরের আইন স্বর্ণাক্ষরে লেখা, চাইলেই যে কেউ বদলাতে পারবে না ।।
আমাদের পূর্ব প্রজন্মের একজন বলেছিলেন, খারাপ কাজ করার একটি শাস্তি হল তোমার সাথে আরো কিছু খারাপ হওয়া এবং ভালাে কাজের একটি পুরষ্কার হলাে তোমার সাথে আরাে ভালাে কিছু হওয়া।
অত্যন্ত পাপিষ্ঠ স্বভাবের মানুষ হাজার সদুপদেশ দিলেও তাদের স্বভাবের কাজ তারা করে যাবে।
প্রতিটি পাপ অজান্তেই আরাে অনেক পাপের জন্ম দেয়, আমাদের একটি পাপ আরেকটি পাপের দিকে আমাদেরকে ঠেলে নিয়ে যেতে থাকে যতক্ষণ না পর্যন্ত সেই পাপ রাশি মানুষটিকে এমনভাবে কাবু করে ফেলে যে কৃত পাপগুলাের জন্য তাওবা করাকে তার কাছে কঠিন বলে মনে হয়।
পুণ্যের ভাগ তো সবাই চায়। পাপের ভাগ কেউ চায় না।
প্রকৃতির মোহনায় যদি লাগে পাপের ঢেউ, শাস্তি ভোগ করতেই হবে, মানুষ পশু বাদ যাবে না কেউ ।
পাপ হলাে এক শেকলের মতন, এটি পাপকারীকে আটকে রাখে যাতে সে তাওহীদের বিশাল বাগানে বিচরণ করতে না পারে এবং সেখানকার ফল অর্থাৎ সৎকর্মসমূহকে সংগ্রহ করতে না পারে।
স্রোতের ধর্ম ভাসিয়ে নেওয়া, করতে জানে অধর্মের আবর্জনা সাফ, জীবন যুদ্ধে লড়তে হয়, হার মেনে নিয়ে মুক্তি চাওয়াও এক অযাচিত পাপ৷৷
একজন পাপাচারী লােক কখনই তার পাপের জন্য অনুতপ্ত হয়না, কারণ তার অন্তরের ভালো দিকটা ইতােমধ্যেই মরে গেছে।
আমরা সবাই পাপী, আপন পাপের বাটখারা দিয়ে, অন্যের পাপ মাপি।
যদি কখনও পাপকাজ করার প্রতি ইচ্ছা জাগে, তখন নিজেকে বলুন, “জান্নাতে যা দেয়া হবে তা এর চেয়ে অনেক বেশি উত্তম এবং এই কাজটা করে আমি তা পাওয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছি।”
পাপী পাপকে ভুলে যেতে পারে কিন্তু পাপ পাপীকে ভোলে না। সে যথা সময়ে পাপীকে সুদে আসলে তার কর্মফল ফিরিয়ে দেবেই।
পাপ কথাটা মানুষের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, কারণ পাপ পূন্য, ভাল মন্দের বিচার তারা করতে পারে। পশুদের এসবের বালাই নেই। তাই পাপ তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় ৷
পাপী আমি কহিলাম ইশ্বরে, ক্ষমা কর হে প্রভু! সুযোগ দাও মোরে! আর পাপ করিবোনা কভু। তোমার সামনে আসামী আমি, আমি মহাপাপী- পাপে জর্জরিত হয়েও আমি হলাম অনুতাপী।অপার করুণারাশি তোমার, ক্ষমা করে দাও মোরে, ভিক্ষার হাত বাড়ায়ে আমি দাঁড়ায়ে তোমার দ্বারে।
পাপী না হয়েও পাপের তিলক পরেছ কখনো? আমি পরেছি! আমিই মরছি তিলে তিলে, দুঃখী আমি, তাকিয়েছ কি কখনো? বিষাদের ঘনঘটাই শুধু দেখতে পাবে দু’চোখের নীলে!
পাপের পঙ্কে পুণ্য-পদ্ম, ফুলে ফুলে হেতা পাপ! সুন্দর এই ধরা-ভরা শুধু বঞ্চনা অভিশাপ। পুণ্যে দিলেন আত্মা ও প্রাণ, পাপেরে দিলেন দেহ। আত্মা তাঁদের ত্যাগী তপস্বী, দেহ তাঁহাদের ভোগী!
বলতে পার, কে পৃথিবীতে পাপী নয়? শতভাগ কার জীবন পূন্যময় ? ভাবো উত্তর, এই ফাঁকে বলি আমি একটি গল্প— স্বর্ণের চেয়ে দামী।গল্পটা হল যীশুখ্রিষ্টের, তবে , সব ধর্মের সমান শিক্ষা হবে।
সাম্যের গান গাই! – যত পাপী তাপী সব মোর বোন, সব হয় মোর ভাই। এ পাপ-মুলুকে পাপ করেনি কে আছে পুরুষ-নারী? আমরা তো ছার; – পাপে পঙ্কিল পাপীদের কাণ্ডারী! তেত্রিশ কোটি দেবতার পাপে স্বর্গ সে টলমল, দেবতার পাপ-পথ দিয়া পশে স্বর্গে অসুর দল!
আমি ভাল নেই, তুমি ভাল আছ? মনে আছে কিছু? আমাদের কৃত পাপ? বৃষ্টিতে ভেজা দিন, পাশাপাশি রিকশায় হুড তুলে পলিথিন?আমার চঞ্চল হাত, তোমার মৃদু প্রতিবাদ , আমার অস্থির ঠোঁট, তোমার তীব্র প্রতিরোধ? অথবা একটু খানি রৌদ্র বেলায়, লেকের ধারে গাছের তলায় ঝিরঝিরিয়ে বৃষ্টি হলে, তুমি আমি ছাতার তলে।
জন্মই আমার আজন্ম পাপ, মাতৃজরায়ু থেকে নেমেই জেনেছি আমি সন্ত্রাসের ঝাঁঝালো দিনে বিবর্ণ পত্রের মত হঠাৎ ফুৎকারে উড়ে যাই।
জল আর আগুন এই তো কারবার, হৃদয়ে বাদে ভালোবাসার অর্থ, এইসব বাদে যখনই অনর্থক কিছু গায়ে লেগে যায়, তা সহজেই মিশে যায় পাপের দলে।।পাপ একদিন-দুদিন থেকে, প্রতিদিনকার অভ্যেস হয়ে মিশে যায় রক্তে, আর কোনো এক ঋতুতে হয়তো আমার হয়ে উঠি, সহজাত পাপী।।
পাপ পুণ্য নির্ণয়ের মানদণ্ড , আজকাল খুব টনটনে তোমার ; শব্দের মারপ্যাঁচে কি সহজে হিসেব কষে পুণ্যটা নিজের ঘরে রেখে -আমাকে বানাও পাপের ভাগীদার ; অযুত নিযুত বিস্তর গাণিতিক দৌড় শিখেছ – দর্পণে দেখনি কি কখনো তারে ?
আমরা চেষ্টা করেছি আজকের এই পোস্ট দ্বারা “পাপ” সম্পর্কিত উক্তি, স্ট্যাটাস, ক্যাপশন, ছন্দ ও কবিতা ইত্যাদি আপনাদের কাছে তুলে ধরার। আশা করি আজকের এই পোস্ট ভালো লেগেছে।
এই পোস্টটি যদি আপনাদের মনোগ্রাহী হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনার আত্মীয় পরিজন ও বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে নিতে পারেন। এরূপ আরো পোস্ট পাওয়ার জন্য নজর রাখুন আমাদের এই ওয়েবসাইটে।