সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট নাগাদ মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার কাজলপুর এলাকায় আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে পাঁচতলা আবাসন, যেখানে ৪৭টি পরিবারের প্রায়
২০০ জন বাস করতেন। জানা গেছে মঙ্গলবার রাত আটটা পর্যন্ত জীবন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ৭৬ জনকে,যার মধ্যে আশঙ্কাজনক ১৮ জন।
এনডিআরএফ এবং রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দলের যৌথ প্রচেষ্টায়
২৪ ঘণ্টা পরেও চলছে উদ্ধার কাজ, মঙ্গলবার পাওয়া খবর অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২।
মঙ্গলবার বিকেলে এনডিআরএফ উদ্ধার কাজ চালানোর সময় এক শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে শিশুটিকে দু’টি বিরাট চাঙড়ের মাঝখান উদ্ধার করে শিশুটিকে ভর্তি করা হয়েছে ট্রমা কেয়ার ইউনিটে।
বাংলা রিওয়ার্ডস ও ক্যাশ প্রাইজ শীঘ্রই আসছে!
সবার আগে সুযোগ পেতে এখনই ওয়েটলিস্টে যোগ দিন।
মহারাষ্ট্র প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে অধিকাংশ মানুষ ভয় পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এনডিঅারএফ এর তরফে আশঙ্কা করা হচ্ছে এখনো অনেকে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকা পড়ে আছে,
প্রবল বৃষ্টিতে উদ্ধার কাজে সমস্যা হচ্ছে, দেরি হচ্ছে কিছুটা জানিয়েছে এনডিআরএফ।
জেলাশাসক নিধি চৌধুরীকে দুর্ঘটনার তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তবে মনে করা হচ্ছে লাগাতার অতিরিক্ত বর্ষার জন্য আলগা হয়ে যাওয়ায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এদিন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ টুইট করে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করেছেন।
