কবীর সুমনের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য, ইচ্ছাপত্রে কি জানিয়েছেন তিনি, জেনে নিন



আধুনিক গানে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারা যিনি নিয়ে এসেছিলেন, বিখ্যাত গীতিকার এবং সুরকার কবীর সুমনের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।সপ্তমীর রাতে ফেসবুকে গায়ক নিজের ইচ্ছাপত্র পোস্ট করার পর থেকে সেই পোস্ট ঘিরে নানান জল্পনার পাশাপাশি মন খারাপ তার ভক্তদের।করোনা আবহে প্রতিবারের মতো আনন্দময় পরিবেশ এবছর নেই, নিউ নর্মালে প্যান্ডেলের বাইরে থেকেই মা’কে দেখছে ভক্তরা, সংক্রমণ থেকে বাঁচতে অনলাইনেই পুজো দেখছেন বেশিরভাগ মানুষ, সেখানে  সপ্তমীর রাতে মন খারাপ করা পোস্ট শেয়ার করলেন গায়ক কবীর সুমন। 


ফেসবুকে নিজের ইচ্ছাপত্রে  প্রাক্তন সাংসদ লিখেছেন,তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর সমস্ত সৃষ্টি যেম ধ্বংস করে দেওয়া হয়। তার যাবতীয় সৃষ্টি পুরসভার গাড়িতে দিয়ে দেওয়ার কথা জানান তিনি।  ওই পোস্টে সত্তরোর্ধ্ব গায়ক লেখেন ‘আমার মৃতদেহ যেন দান করা হয় চিকিৎসাবিজ্ঞানের কাজে। কোনও স্মরণসভা, শোকসভা, প্রার্থনাসভা যেন না হয়। আমার সমস্ত পাণ্ডুলিপি, গান, রচনা, স্বরলিপি, রেকর্ডিং, হার্ড ডিস্ক, পেনড্রাইভ, লেখার খাতা, প্রিন্ট আউট যেন কলকাতা পুরসভার গাড়ি ডেকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সেগুলি ধ্বংস করার জন্য। আমার কোনও কিছু যেন আমার মৃত্যুর পর পড়ে না থাকে। আমার ব্যবহার করা সব যন্ত্র, বাজনা, সরঞ্জাম যেন ধ্বংস করা হয়। এর অন্যথা হবে আমার অপমান।’


আধুনিক বাংলা গানের অন্যতম পথিকৃৎ কবীর যিনি শুধুমাত্র গায়ক ও সুরকারই নন, রাজনীতিতেও একসময় তিনি অবদান রেখেছিলেন ,সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন ।যদিও পরে আবার গানের জগতেই ফিরে আসেন। সপ্তমীর রাতে অর্থাৎ শুক্রবার ফেসবুক পোস্টে কবীর সুমন কেন হঠাৎ এমন কথা লিখেছেন তার কারণ জানা যায়নি।

‘তোমাকে চাই’ এর বিখ্যাত গায়ক ফেসবুকে জানিয়েছেন  তাঁর জীবনে কোনও হতাশা, দুঃখ, ব্যর্থতাবোধ,কিংবা  অবসাদ কিছুই নেই। নিজের কাজ নিয়ে আনন্দেই আছেন তিনি। তবে যদি তাঁর শরীর খারাপ হয় অথবা তাকে  হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় এবং যদি তিনি মারা যান তাহলে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধুমাত্র  মৃন্ময়ী তোকদারের। গায়কের দেওয়া দায়িত্ব মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মৃন্ময়ী, এবং সবাইকে ওই পোস্টে পরামর্শ অথবা উপদেশ দিতে বারন করেছেন।

Recent Posts