100+ Best Unique Funny jokes in Bengali for Whatsapp and Facebook – Download Free PDF



হাস্তে সবাই ভালোবাসে, ইনফ্যাক্ট সকলকে সবসময় হাসি মজার মধ্যে থাকা উচিত। জীবনটা কে উপভোগ করতে হয় সুন্দর মুহূর্ত ও হাসি মজার মাধ্যমে। সেইজন্যেই ফেইসবুক ও হোয়াটস্যাপ এ শেয়ার করার মতো একদম টাটকা সেরা বাংলা জোকস, সঙ্গে রইলো ডাউনলোড এর অপশন একদম শেষে ।

Fresh Bengali jokes 2021

Sera Bangla Whatsapp Jokes

গব্বর সিং এর চরিত্র চিত্রাঙ্কন

😁😁ইতিহাস পরীক্ষায় প্রশ্ন এসেছিল, শ্রদ্ধেয় শ্রী গব্বর সিং এর চরিত্র চিত্রাঙ্কন করো । ( প্রশ্ন ভুল ছিল ওটা ভগত্ সিং হবে কিন্তু সংশোধনী আসতে দেরী হয়)
প্রশ্ন দেখে সবাই মুখে পেন দিয়ে বসে থাকলেও জনৈক ছাত্র লিখতে থাকে।
…এক ছাত্র প্রশ্নের উত্তরটা এভাবেই লিখেছিল ।
😁🧡😁🧡😁🧡😁🧡😁🧡😁🧡😁

  1. সরল জীবন……
    মেট্রো সিটি শহরের ভীড় থেকে বহু দূরে এক পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করতেন এই মহান মানুষটি। শুধু মাত্র এক সেট জামা কাপড় পরে বছরের পর বছর কাটিয়ে দিতেন। দাড়ি গোঁফ কামানোর প্রয়োজন অনুভব করতেন না তিনি। দাঁত মেজেও ফালতু পয়সা নষ্ট করতেন না।
  2. সখ সাধ…..
    খুবই সামান্য । একমাত্র খৈনী খেতে তিনি খুব পছন্দ করতেন । মাঝে মধ্যে কেউ একটু মদ্ অফার করলে না বলতে পারতেন না। আর শুধু অস্ত্র কিনতে গিয়ে বাধ্য হয়ে নোংরা নাচ দেখতেন।
  3. অনুশাসনময় জীবন……
    কালিয়া আর তার দলবল ওনার শস্য আদায়ের প্রজেক্ট ইন-কমপ্লিট রাখার অপরাধে গুলি করে হত্যা করেছিলেন তাদের। কারণ অনুশাসন বজায় রাখা প্রতিটি মানুষের অবশ্য কর্তব্য।
  4. দয়ালু মন……
    ঠাকুর সাহেবকে তিনি নিজের কব্জায় নেওয়ার পরেও শুধুমাত্র হাত কেটে ছেড়ে দিয়েছিলেন। তিনি চাইলে তার গলাও কেটে ফেলতে পারতেন।
  5. নৃত্য সঙ্গীত প্রেমী মন…..
    ওনার কার্যালয়ে গান বাজনার আসর চলতেই থাকতো।
    উদাহরণ-
    1-মেহেবুবা মেহেবুবা।
    2- যব তক হে জান, জানে জাঁহা।
    বাসন্তী কে একবার দেখেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এই মেয়ে নৃত্যাঙ্গনা।
  6. রসবোধ….
    কালিয়া আর তার দলবলকে তিনি হাসিয়ে হাসিয়ে মেরেছিলেন। সবসময় হাসতে হাসতে পরপারে যেতে দিতেন শত্রুদের। এছাড়া প্রায়ই তিনি নিজেই হেসে মাটিতে লুটিয়ে পড়তেন। তিনি হলেন এই যুগের লাফিং বুদ্ধ ।
  7. নারীর সম্মান….
    নারীদের বেশ সম্মান করতেন তিনি। বাসন্তী কে অপহরণ করে তিনি শুধুমাত্র ওনাকে নৃত্য পরিবেশন করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। সেটাও দিনের আলোয়। আজকাল আধুনিক ভিলেনরা প্রথমেই যে বিশেষ কাজটা করতে চান, তিনি সেটা করেননি ।
  8. ভিক্ষুক জীবন….
    ওনার অনুচররা খাবারের জন্য গ্রামে গিয়ে শুকনো খাবার চাইতেন। কখনও মিষ্টি, পিৎজা, বারগার, মটন এসব ডিমান্ড করতেন না।
  9. ভোলা মন….
    খুব সম্ভবত বিয়ে না করার জন্য তারিখ সময় এসব মনে রাখা প্রয়োজন মনে করতেন না। নিজের কাজ কর্তব্য নিষ্ঠা সহকারে পালন করতেন ।
  10. সমাজ সেবা…
    বাচ্চা ছেলেদের ঘুম পাড়ানোর কাজে ওনার নাম ডাক যথেষ্ট ছিলো ।
    সংশোধনী আসার পর ছাত্রটি খাতা জমা দিয়ে চলে যায়। ফলাফল বেরুলে দেখা যায় সে শুধু পুরো নম্বর পেয়েছে তাই নয়, তাকে শিক্ষামন্ত্রী বাংলার গর্ভ মেধাস্রী তে ভূষিত করেন— 😉😇😉😂😁😋

স্মৃতি শক্তি

বাদাম ভিজিয়ে রেখেছিলাম
খেয়ে স্মৃতি শক্তি বাড়াবো বলে,
এখন আর মনে পড়ছে না কোথায়
ভিজিয়ে রেখেছি😵😞

তিরিশটি লুচি কি মানুষ খেতে পারে

রাজশেখর বসু( পরশুরাম) গেছেন চিত্তরঞ্জন দাশের বাড়ী, চায়ের নেমন্তন্ন।

চায়ের আগে দেওয়া হয়েছে গোটা তিরিশ লুচি, সঙ্গে অনেক কিছু।

আঁতকে উঠে উনি বললেন,”করেছেন কি? তিরিশটি লুচি কি মানুষ খেতে পারে? একটা তুলে নিন।”

অনলাইন ক্লাস

লক ডাউন সবাই ঘর বন্দী, অফিসের ওয়ার্ক ফার্ম হোম এর সাথে আরো একটা কাজ জুটেছে ছেলের অনলাইন ক্লাস।
ছেলের বয়স সাড়ে ৩ বছর হয়নি এখনো, কিন্তু এনার্জি তার অফুরন্ত। একমুহুর্ত স্থির নেই সারাক্ষণ দৌড়চ্ছে না হয় লাফাচ্ছে। ওর মা অনেক ভাবে চিন্তে এই অফুরন্ত এনার্জির একটা কারণ বের করেছে। ছেলে যখন ৬ মাস এর পেটে তখন আমি আর বউ ঘুরতে গেছিলাম নর্থ বেঙ্গল, dooars এর জঙ্গলে। সেখানে প্রচুর হরিণ, bison আর বানর দর্শন হইছে, ছেলে পেটের থাকে ওই সব দেখে নাকি খুব উদ্বুদ্ধ হয়েই এখন এই সব লম্ফ ঝম্ফ।

যাই হোক ছেলের এই দুরন্তপনা কমাতে স্কুলে ভর্তির চিন্তা ভাবনা,ভর্তির পরে তো করোনা দাপটে সব বন্ধ তারপরে শুরুহলো ছেলের ক্লাস অনলাইনে।
এমনই একদিন ছেলে কে নিয়ে ক্লাস করতে বসেছি, সকাল ১১:১০ থেকে ১১:৪০ পর্যন্ত ক্লাস।

সবাই কে গ্রিট করে ক্লাস শুরু হলো, এপারে আমি আর আমার কোলে ছেলে আর ওপারে ছেলের দিদিমণি মাঝে মোবাইল ফোন।

দিদিমণি একে একে সব রাইমস বলে চলেছে আমি আর ছেলে শুনছি, এরপর দিদিমণি শুরু করলো

This is colour red.
This is colour green.
This is colour ……

নিজের অজান্তেই বলে ফেললাম “blue”.

বলেই দেখি সামনে বউ দাড়িয়ে আছে চোখ বড় বড় করে, বললো “ছেলে কোথায়?”
তাকিয়ে দেখি সে কখন কোলের থেকে উঠে পালিয়েছে কে জানে।
কিছু বলতে যাবো বউ থামিয়ে বললো – “থাক কাল থেকে তোমার আর অনলাইন ক্লাস করতে হবে না, ছেলে কে নিয়ে আমিই বসবো”

Best Bangla Funny short stories & Jokes collection

চ্যাটিং

টানা ৮ মাস চ্যাটিং করার পর মেয়েটা কাল রাতে আমায় বলল,
“বিশ্বাস করুন দাদা, মেয়ে হলে আমি এতদিনে ঠিকই পটে যেতাম।”😳😢

অনূকুল ঠাকুরের দীক্ষা

খাসির মাংস 740 টাকা কিলো। মুরগি 280 টাকা ,মাছ 300 টাকা বলছিলাম অনূকুল ঠাকুরের দীক্ষার ফর্ম কোথায় পাওয়া যাবে বলতে পারেন?🤔🙄😑😑

😁🤣🤫মুরগি🤫🤣😁

মা তার ছেলেকে ১০০ টাকা দিয়ে বললেন, যাও বাবা বাজার থেকে একটা মুরগি নিয়ে এসো!!
ছেলে বাজার থেকে মুরগি কিনে আনলে মা মুরগিটা দেখে বললেন, এতো রোগা পটকা মুরগি!
রোগা পটকা মুরগি আমি নেবো না! যাও ফেরত দিয়ে এসো!!
ছেলে মুরগি ফেরত দিতে গিয়ে দেখে দোকানে লেখা “বিক্রিত মাল ফেরত নেয়া হয় না” এখন সে কি করবে!!
ঘরে গেলেতো মা আচ্ছা মত বকা দেবেন! ভাবতে ভাবতে হটাৎ তার মনে হল, তার এক মামাতো বোন আছে! সে তাকে খুব আদর করেন, টাকা পয়সাও দেন! তার কাছে গেলে হয়ত একটা ব্যবস্থা হবে নিশ্চই!
বোনের বাড়িতে ঢুকতে গিয়ে দেখে ড্রয়িং রুমে খুব অন্তরঙ্গ অবস্থায় একটি ছেলের সাথে তার মামাতো বোন বসে আছে!! ছেলে লজ্জা পেয়ে সেখানে না গিয়ে চুপচাপ স্টোর রুমে বসে রইল!!
একটু পর গাড়ির হর্ন এর শব্দ! অর্থাৎ মামা এসেছেন! ড্রয়িং রুমের সেই ছেলেটিও তারাহুরা করে সেই স্টোর রুমে ঢুকে তার বরাবর বসল!!
অন্ধকার ঘর, কেউ কারো মুখ দেখছে না! শুধু উপস্থিতি টের পাচ্ছে দুজনই!
একটু পর ছেলেটি বলল ভাই মুরগি নেবেন? মাত্র ১০০টাকা!!
ধুর, আছি বিপদে আর ইনি আসছে মুরগি বিক্রি করতে! না না মুরগি কিনব না! ভাই, আপনি যদি মুরগিটা না নেন তবে আমি চিৎকার দেব!
ভাল মুসিবতে ফেলল ছেলেটা! বাধ্য হয়ে মুরগি কিনতে হল ভদ্র লোকের! তার ঠিক ৫মিনিট পর ছেলেটি বলছে.. -ভাই মুরগিটা ফেরত দেন, নইলে আমি চিৎকার দেব! কপাল খারাপ হলে যা হয়, কি আর করা মুরগি ফেরত দিতে হল!!
তার কিছুক্ষণ পর ছেলেটি আবার বলল, -ভাই মুরগি নেবেন? মাত্র ১০০ টাকা!! এইভাবে সে মুরগিটি ৫ বার বিক্রি করে মুরগি সহ ৫০০ টাকা নিয়ে বেড়িয়ে গেল!
হাজরা রোড ধরে যখন সে আসছিল তখন দেখল সো রুমে একটা সুন্দর জিন্স প্যন্ট ঝোলান আছে! দাম লেখা ৬০০ টাকা! কিন্তু তার কাছে আছে ৫০০ টাকা! অর্থাৎ ১০০ টাকা কম আছে! এখন এই ১০০ টাকা কোথায় পায়!!
ভাবতে ভাবতে চলে গেল একটা বন্ধুর বাড়িতে! ঘরে গিয়ে দেখল তার বন্ধু ড্রয়িং রুমে বসে মনযোগ সহকারে পেপার পড়ছেন, চুপচাপ তার কাছে গিয়ে বললো -ভাই মুরগি নিবি? মাত্র ১০০ টাকা!!
বন্ধু: হারামজাদা সুযোগ পেয়ে তো ৫বার বিক্রি করেছিস এখন আবার এসেছিস? আজ তোর একদিন কি আমার একদিন!!😂😆😁🤣😁😆😃

Top Facebook Funny Jokes in Bengali – ফেইসবুক জোকস

নিউজ চ্যানেল

মিডিয়া আজকাল এতো খবর জানে, শুনলাম অমিতাভ বচ্চন নাকি নিজের শরীরের অবস্থা টিভি নিউজ চ্যানেল দেখে জেনে নিচ্ছে. 😁

৮০টাকার তেল

যারা ১-২লাখ টাকার বাইক কিনতে পারে তারা ৮০টাকার তেলও ভরতে পারে।
চিন্তায় তো তারা পড়েছে যারা বিয়েতে শ্বশুরের থেকে বাইক নিয়েছে।

সুমন-এর বিয়ে

সুমন-এর বিয়ে হয়ে গেলো!

ফুলশয্যার পরের দিন সুমনের স্ত্রীকে বাড়ির বৌদিরা জিজ্ঞেস করল, “কাল রাত্রে কি হলো?”

সুমনের স্ত্রীর উত্তর,
“ওই যা হয়, ঘন্টাখানেক সঙ্গে সুমন”!!
😱🤣😁

স্বামী স্ত্রী জোকস কালেকশন

চরম কিপ্টা

এক চরম কিপ্টা লোক সমুদ্রে স্নান করতে গিয়ে ডুবে যেতে লাগল।
সে তখন ভগবানকে ডাকতে শুরু করল আর বলতে থাকলো- “ভগবান এ যাত্রায় যদি বেঁচে যাই তাহলে তোমাকে ১০০০ প্যাকেট বিরিয়ানি খাওয়াব।“
.
.
ঠিক তখনই এক বড় একটা স্রোত এসে তাকে সাগর তীরে ঠেলে দিল !
.
সে তখন দাঁড়িয়ে মুচকি হেঁসে বলল, “হাহ! কিসের বিরিয়ানি!!”
.
তখনই আবার আরেকটা বড় ঢেউ এসে তাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল!
.
.
তখন সে বলতে লাগল,
.
.
“আমি বলতে চাচ্ছি চিকেন বিরিয়ানী নাকি মটন ।”

শনিবারের আমিষ খাবার………….যারা Vegetarian তারা দূরে থাকুন……

আমারটা আর নেই

গুদুন হঠাৎ মাঝ রাত্রে চিৎকার করে উঠলো –
আমারটা আর নেই।”
আমারটা আর নেই।”
আমারটা আর নেই।”
আমারটা আর নেই।”
.
.
.
.
.
স্ত্রীর ঘুম ভেঙে একটা থাপ্পড় লাগালো আর বললো- এই জন্যেই বলি এতো ছাঁই পাঁশ গিলে এসোনা,
এখন চুপচাপ আমার প্যান্টি থেকে হাতটা বের করে নাও।

Nepotism

তুমি সিনেমায় Nepotism এর কথা বলছো, আমাদের এখানে ফুচকাওলা টাও শুধুমাত্র মেয়েদের কেই Extra ফুচকা দেয়
😏😏😑😏😒

স্বামী স্ত্রী স্ট্যান্ট

একটা ঘরে আপনার স্ত্রীকে ঢুকিয়ে দরজায় তালা দিয়ে দিন।😀
আর একটা ঘরে আপনার পোষা কুকুরটাকে ঢুকিয়ে তালা দিয়ে দিন।😀
২/৩ ঘন্টা পর দুটো ঘর খুলে দেখুন…কে আপনাকে দেখে খুশি হলো আর কে আপনাকে কামড়াতে শুরু করলো।😀
(বিশেষ অনুরোধ -এরকম Stunt ঘরে করবেন না।এটা কেবলই জোকস্)‌😀
এর উল্টো ভার্সান-‌😀
একটা ঘরে আপনার স্বামীকে ঢুকিয়ে তালা দিয়ে দিন।😀
আর একটা ঘরে আপনার পোষা কুকুরটাকে ঢুকিয়ে তালা দিয়ে দিন।😀
২/৩ ঘন্টা পর দুটো ঘর খুলে দেখবেন আপনার প্রিয় পোষা কুকুরটা আপনাকে দেখে কতো খুশি হলো।😀
কিন্তু আপনি অত্যন্ত রাগান্নিত হবেন এটা দেখে… আপনার স্বামী বিছানায় অকাতরে ঘুমাচ্ছে যেন জীবনে কোনদিন ঘুমায় নি।😀😀😀😀

ইঙরেজীর বাংলা

আমি এই পাঁচটি ইঙরেজীর বাংলা করতে পারছি না, আপনারা কি একটু সাহায্য করবেন?
১.এ‌্যামবুলেন্স ২.মোবাইল ৩.টিউব লাইট ৪.Sim card ৫. Xerox
‌😀দিমাগ কা বাতি জ্বালাইয়ে‌😀
All the Best😀

বিড়াল না মাংস


নাসিরুদ্দিন বাজার থেকে মাংস কিনে এনে তার গিন্নিকে বললো আজ কাবাব খাব , বেশ ভাল করে রাঁধো দেকি ।
গিন্নি রান্না করে লোভে পড়ে নিজেই সব মাংস খেয়ে ফেলে । কর্তাকে তো আর সে কথা বলা যায় না । সে বললো বেড়ালে খেয়ে ফেলছে ।
এক সের মাংস সব বেড়ালে খেয়ে ফেললো সবটা ?
বেড়ালটা কাছেই ছিল । নাসিরুদ্দিন মোল্লা সেটাকে দাঁড়ি পাল্লায় চড়িয়ে দেখলো ওজন ঠিক একসের ।
‘এটাই যদি সেই বেড়াল হয় ‘বলল মোল্লা ‘ তাহলে মাংস কোথায় ? আর এটাই যদি সেই মাংস হয় তাহলে বেড়াল কোথায়’ ?

নাসিরুদ্দিন মোল্লা All Story Collection

সৎ ও নির্লোভ

এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক খবরের কাগজে একদিন একটি বিজ্ঞাপন দিলেনঃ আমার বর্তমান বয়স ৮৯ বছর । মৃত্যুর সময় আগত । আমার 5 কোটি টাকা আছে । আমার কোন উত্তরাধিকারী নেই । এই টাকাটি আমি চার প্রকার লোকের মধ্যে সমভাবে বন্টন করে দিতে চাই ।
১ । সৎ ও নির্লোভ ২৫%
২ । সৎ ও লোভী ২৫%
৩ । অসৎ ও নির্লোভ ২৫%
৪ । অসৎ ও লোভী ২৫%
প্রমাণসহ আগ্রহী ব্যক্তিদের সুভাষ প্রাথমিক বিদ্যাপীঠের মাঠে উপস্থিত হতে বলা হচ্ছে । ১ নং ব্যক্তিরা ডান হাত তুলে ২নং ব্যক্তিরা ডান পা তুলে ৩নং ব্যক্তিরা বাঁ হাত তুলে ও ৪ নং ব্যক্তিরা বাঁ পা তুলে উপস্থিত হবেন ১০ই জুলাই মঙ্গলবার বিকাল ৪ ঘটিকায় ।

১০ই জুলাই সুভাষ বিদ্যালয়ের মাঠে কয়েক হাজার লোক উপস্থিত হতে দেখা গেল । তবে সকলেরই ডান হাত তোলা ।

বৃদ্ধ ভদ্রলোকটি সব দেখেশুনে বললেন, এত নির্লোভ মানুষ একসাথে দেখার সৌভাগ্য সকলের হয়না । আমার চোখে আনন্দাশ্রু প্লাবিত হচ্ছে । তবে কিনা কথাটা হল – নির্লোভ মানুষ টাকা নিতে আসবে কেন? আমি লোভীদেরই টাকাটা দেব স্থির করেছি । যারা ঐ জাতীয় তাঁদের দুই হাত তুলতে অনুরোধ করছি ।

দেখা গেল সিংহ ভাগ লোক চটজলদি দুই হাত তুলে ফেলল ।

বৃদ্ধ ভদ্রলোক হেসে বললেন, দুহাত তোলা চোখ পাল্টি করা মিথ্যুকরা বাড়ি যান । আর যে গুটিকয় ব্যক্তি চক্ষুলজ্জার খাতিরে দুহাত তুলতে পারেননি তাঁদের জানাই, অপরের টাকায় লোভ ভাল নয় । আর সত্যি কথা বলতে কি আমার 5 কোটি তো দূরস্থান দশহাজার টাকাও নেই। আপনারা যদি একশো টাকা করে আমায় ডোনেট করেন তাহলে বর্তে যাই ।

পত্রপাঠ জায়গাটা শুনশান হয়ে গেল । কিন্তু একটা ছেলে এগিয়ে এল একশো টাকার নোট হাতে ।

বৃদ্ধ বললেন, সে কি! তুমি আবার কোন দলের হে?

ছেলেটি বলল, ‘দাদু যেখানে ভীড় সেটাই আমার কর্মস্থল । আমি পকেটমার । আপনি আমার কাজের সুযোগ করে দিয়েছেন তাই বখশিস দিচ্ছি।।

** লেখক কে খুঁজছি ** আপনারাও পেলে জানাবেন…

মাক্স

ভগবান সব জিনিস ভেবেচিন্তে বানিয়েছে🤔🤔
ভাবো যদি কান বাইরের দিকে না বেরিয়ে থাকতো 🙄🙄
তাহলে আজ মাক্স লাগানোর জন্য পেরেক ঠুকতে হতো😐

বাড়িয়ে দাও তোমার হাত

প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে অনুপম রায়ের জনপ্রিয় গান “বাড়িয়ে দাও তোমার হাত…” অশ্লীলতার কারনে প্রকাশ্য স্থানে গাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনুপম সহ সব শিল্পী কলাকুশলীরা খুবই বিস্মিত ও হতাশ।

পরে জানা গেল বাংলাদেশে নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই পথে ঘাটে গাইছিল “বাড়ায় দাও তোমার হাত….”
বাঙাল হবার জ্বালা।
🤪🤪🤪

ছাগলটা ডিম দিয়েছে

গুরু : কি ব্যাপার রতন, আজ তোকে এত খুশী দেখাচ্ছে কেন?
রতন : গুরুজী, আজ আমার ছাগলটা ডিম দিয়েছে তাই।
গুরু : কি আবোল তাবোল বকছিস! ছাগল কোনোদিন ডিম দেয়?
রতন : না না গুরুজী, আমি আমার মুরগির নাম ছাগল রেখেছি।

রতন আজও একই রকম আছে। এখন সে বরবাদ এর নাম রেখেছে বিকাশ। তাই এখনও সে রোজ বরবাদ কে বিকাশ বলে বলে খুশি থাকে!!🤔🤔🤪🤣😄

একটি handsome ছেলে ও একটি hot মেয়ে

একটি handsome ছেলে ও একটি hot মেয়ে কেরলের একটি পাহাড় ও নদী ঘেরা মনোরম জঙ্গলে ঘুরছিল। তারা খুব মজা করছিল।

হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হতে দুজনেই পুরো ভিজে গেল।

তারা একটা পরিত্যাক্ত বাড়ি খুঁজে পেল এবং বৃষ্টি থেকে বাঁচতে ঐ বাড়িতে ঢুকে পড়ল।

ভিজে যাওয়া সাদা T-shirt ও denim shorts-এ মেয়েটিকে অপরূপা সুন্দরী দেখাচ্ছিল।

ছেলেটি মেয়েটির কাছে এসে আলতো হাতে তার কোমর জড়িয়ে ধরল।

সে তাকে আরো কাছে টেনে নিল ও তার ভেজা পিঠে হাত রাখল।

মেয়েটিও সম্মোহিত হয়ে ছেলেটির কাঁধে হাত রাখল এবং গভীর চুম্বনের তৃষ্নায় তার ঠোঁট দুটি ছেলেটির ঠোঁটের অদূরে নিয়ে গেল।

পরবর্তী অংশের জন্য 49 টাকা দিয়ে মাণিকতলার ছায়া সিনেমার টিকিট কেটে উপভোগ করুন জমজমাট ভোজপুরি ছবি. ……… “সাওন বরষে হাম তোহার চুম্মি কো তরসে”।

ভাবছি একটা শাখা খুলে নিই

দারুন সফল এক যৌনকর্মী ডক্টরের কাছে গেল। বলল যে আপনি আমার শরীরে আরেকটি ফুটা বাড়িয়ে দিন। ডক্টর জিজ্ঞেস করল কেন? যৌনকর্মীর উত্তর, ব্যাবসা টা ভালই চলছে,,,,,,,,, ভাবছি একটা শাখা খুলে নিই।

রাজুর গেঞ্জি ও জাঙ্গিয়া

রাস্তার দেওয়ালে সেদিন একটা বিজ্ঞাপন নজরে এলো –

“রাজুর গেঞ্জি ও জাঙ্গিয়া ব‍্যবহার করুন, গরমে দারুণ আরামদায়ক ।”

এ পর্যন্ত কোনও নতুনত্ব নেই, বিজ্ঞাপন তো এমনই হয় । কিন্তু খুব ভাল লাগলো যখন দেখলাম এক সহৃদয় মানুষ নীচে লিখেছেন –
“তাহলে রাজু কী পরবে ?”

সত‍্যিই তো, এটা তো একটা ভাববার বিষয় !
🤔🤔🤔

Best Comedy Jokes in Bengali – বাংলা হাসির গল্প

ছিনতাইকারী

পচাদার বাড়িতে দুপুর বেলায় দুজন ছিনতাইকারী ঢুকে বৌদিকে পিছমোড়া করে বেঁধে পচাদার গলায় চাকু ধরে বৌদিকে বলছে ” টাকাকড়ি গয়নাগাটি যা আছে তাড়াতাড়ি দিয়ে দাও না হলে….” ।
পচাদা কাঁদ কাঁদ হয়ে ” ওকে ছেড়ে দাও, আমি সব দেব, ওকে কিছু কোর না”।
ছিনতাইকারী ঃ বৌকে এত ভাল বাস?
পচাদা ঃ না ভাই ওটা পাসের বাড়ির, আমার বৌ বাজার গিয়েছে, আসার সময় হয়েছে।

আমি বাড়ি নেই

টেবিলের উপর রাখা ফোন বেজে উঠল…
পতি পত্নিকে, ফোনটা ধরো, যদি আমার হয় বলে দাও, আমি বাড়ি নেই’।
ফোন রিসিভ করে…
পত্নি: ও এখন ঘরে আছে।।
পতি: এটা তুমি কি বললে?
পত্নি: ফোনটা আমার ছিল।।😀😀😀

শুধু চেহারা দেখে

এক মহিলা নিজের GYNECOLOGIST কে এয়ার পোর্টে দেখতে পেয়ে,’নমস্কার,চিনতে পারছেন’?
ডক্টর: সরি ম্যাডাম, শুধু চেহারা দেখে ঠিক চিনতে পারছি না।।
😃😃😀😀

চুপচাপ

প্রথম বন্ধু: কি ব্যাপার তোর কলকলি দেখছি আজকাল খুব চুপচাপ হয়ে গেছে।
দ্বিতীয় বন্ধু:ওরে না, আসলে কি শোন। সেদিন Studio তে দুজনে ফটো তুলতে গিয়েছিলাম। জানিস তো ওর স্বভাব। Pose দেওয়ার সময় ফটোগ্রাফার ওকে বললো,ম্যাডাম আপনি যদি আপনার মুখটা একটু বন্ধ রাখেন-তাহলে আপনাকে একদম করিষ্মা কাপুরের মতো লাগবে….
ব্যস, সেইদিন থেকে আর মুখ খোলে না…
😀😀😀😀😀😀😀😀😀😀😀😀😀

রাজ দরবারে একদিন এক জেলে

রাজামশাই মাছটি দেখে খুব খুশি হলেন কারণ মাছ তাঁর খুব প্রিয় খাবার ছিলো ।
এজন্য রাজামশাই খুশি হয়ে জেলেকে ৫০০/-টাকা দিয়ে দিলেন ।
:এদিকে পাশেই বসে থাকা রাণী
ফিসফিস করে রাজাকে বললেন,
এই সামান্য টাকার মাছটার দাম তুমি ৫০০/-টাকা দিয়ে দিলে….?
বড়জোর খুশি হয়ে তাকে ৮০/- থেকে ১০০/- টাকা দিতে পারতে ।
মাছ ফেরত নিয়ে টাকা দিতে বলো…!!
*রাজামশাই বললেন, একি বলো রাণী !
রাজারা যা বলে তা নড়চড় করা অসম্ভব তাছাড়া এটাতো রাজাদের
ইজ্জতের ব্যাপার ।
:রাণী বললেন,
আমি এমন একটা বুদ্ধি দিচ্ছি যা প্রয়োগ করলে তোমার সন্মানের কোনো হানি হবে না । জেলে মাছ নিয়ে টাকাও ফেরত দিবে।
:রাজামশাই বললেন কি বুদ্ধি ?
*রাণী বললেনঃ
জেলেকে ডেকে বলবে,
তোমার মাছটা কি পুরুষ না স্ত্রী ?
যদি জেলে বলে মাছ পুরুষ তাহলে তুমি বলবে আমার স্ত্রী মাছ লাগবে আর যদি জেলে বলে মাছ স্ত্রী তাহলে তুমি বলবে আমার পুরুষ মাছ লাগবে!
অতএব,
জেলে তখন মাছ ফেরত নিতে বাধ্য হবে!
*রাজা রাণীর বুদ্ধিতে খুশি হয়ে জেলেকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন,
তোমার মাছটা কোন জাতের ?
পুরুষ না স্ত্রী ?
জেলে থতমত হয়ে একটু ভেবে চিন্তে বললো,
যাঁহাপনা আমার মাছটা পুরুষও না
স্ত্রীও না ! আমার মাছটা হলো হিজড়া!
এবার রাজদরবারে হাসির রোল পড়ে গেলো, রাণীও শাড়ির আঁচল দিয়ে মুখ ঢেকে হাসলেন!
*রাজা জেলের বিচক্ষণতা দেখে খুশি হয়ে আরও ৫০০/- টাকা দিয়ে দিলেন ।
জেলে খুশি হয়ে মোট ১০০০/- টাকার পোটলায় নিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে । রাজমহলের মেইন গেইটের সামনে
যেতেই পোটলা থেকে পাঁচটি টাকা
মাটিতে পড়ে গেলো ।
জেলে তা তুলে চুমু খাচ্ছে কপালে লাগাচ্ছে এদিকে রাণী তা দেখে রাগে
ফোঁস ফোঁস করছে ।
*যাঁহাপনা, এই জেলে এত লোভী কেন ? ১০০০/- টাকা থেকে মাত্র পাঁচটি টাকা পড়ে গেছে জেলের তা সহ্য হচ্ছেনা । যাঁহাপনা ! আপনি তাঁকে শাস্তি দেন ।
রাজাও ভাবলেন,
:ঠিকই তো মাত্র ৫/- টাকা পড়ে গেছে,
গেট দিয়ে কতো গরিব মানুষ আসা যাওয়া করে তারা না হয় কুঁড়িয়ে নিতো ।
*রাজামশাই জেলেকে ডেকে বললেনঃ
এই লোভী জেলে ?
তোমার এতো লোভ কেন ?
এতো টাকা দিয়েছি তোমায়, মাত্র ৫/- টাকার লোভ সামলাতে পারলে না ?
তা তুলে চুমু খাচ্ছো ?
তোমাকে কঠিন শাস্তি দেয়া হবে ।
জেলে বললঃ যাঁহাপনা !
আমি কিন্তু লোভের কারণে
ঐ টাকাটা তুলে চুমু খাইনি ।
টাকার গায়ে আমার রাজামশাই ও রাণী মা’র নাম লেখা আছে, তাই ভাবলাম, টাকাটা মাটিতে পড়ে থাকলে হয়তো অন্য কোনো মানুষ পা দিয়ে পিষবে আর আমার রাজা ও রাণী মা’র ইজ্জতের হানি হবে । তাই আমি টাকাটা তুলে চুমু খেলাম এবং কপালে ঠেকিয়ে সালাম করলাম ।
*এবার রাজামশাই আরও খুশি হয়ে জেলেকে আরও ৫০০/- টাকা দিলেন । সর্বমোট ১৫০০ /- টাকা দিয়ে
জেলে বিদায় করলেন ।
আর রাজ ঘোষককে বললেন,
তুমি সমগ্র রাজ্যে ঘোষণা করে দাও
কেউ যেন বউয়ের বুদ্ধিতে না চলে ।
আর এটাও বলে দাও বউয়ের বুদ্ধিতে চললে 500/- টাকার জায়গায় ১৫০০/- টাকা লোকসান হয়..!

আমরা বাঙালি!

আমরা বাঙালি!

আমাদের বাড়িতে

Cocacola/Sprite/7up/Fanta/Pepsi সব কিছুই পাবেন কিন্তু সবগুলোতে জল ভরা থাকে😭

কুমিরের খামারে

থাইল্যাণ্ডের একটি কুমিরের খামারে একটি কোম্পানির বার্ষিক বনভোজন চলাকালীন কোম্পানীর চেয়ারম্যান ঘোষণা করলেন যে, কোনও কর্মচারী যদি কুমিরে ভরা এই পুকুর সাঁতরে এপার থেকে ওপারে গিয়ে জীবন নিয়ে বেঁচে উঠতে পারে তবে সে ৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার পাবে আর যদি সে মারা যায় তবে তাঁর পরিবার ২ মিলিয়ন ডলার পাবে।

দীর্ঘক্ষণ ধরে কেউই চ্যালেঞ্জ নিতে সাহস করেনি। তারপর হঠাৎ একজন ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তার জীবনহানির কথা ভেবে পাড়ে দাঁড়ানো সবাই আফসোস করতে থাকে।

তবে সৌভাগ্যক্রমে সে অক্ষত অবস্থায় পুকুরটি পার হতে সক্ষম হয়। হাঁপাতে হাঁপাতে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার পর কোম্পানির চেয়ারম্যান মিলিওনেয়ার ব্যাংক চেক সেই কর্মচারীটির হাতে তুলে দেয়।
কিন্তু সে কর্মচারীটি চেঁচিয়ে বলতে থাকে, “আমাকে কে ধাক্কা দিয়েছিল?” দুর্ভাগ্যক্রমে পরে জানতে পারলো, কাজটি তার স্ত্রীই করেছিলেন।

এবং সেই দিন থেকে এই প্রবাদটির সৃষ্টি হয় যে, _”প্রত্যেক পুরুষের সফলতার পিছনে একজন নারীর হাত আছে”…😊😊

ফ্লাইং কিস্

😀পত্নি হালকা মুডে পতিকে: ধরো যদি কোন সুন্দরী মেয়ে তোমাকে ফ্লাইং কিস্ করে,তাহলে তোমার কি রকম ফিলিংস হবে?
পতি: আমি এই রকম কুড়ে, অলস মেয়েছেলে দুচোখে দেখতে পারি না।।😀

দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী

ছোটোবেলার বন্ধু রতন, প্রায় সন্ধে বেলাই আমাদের বাড়ি আসে আড্ডা দেবার জন্য। আজও এসেছিল। আড্ডার বিষয়বস্তু নির্দিষ্ট কিছু নয়। এখান ওখান থেকে খামচে খুমচে হরেকরকম জিনিস নিয়ে পাঁচমিশালী আলোচনা। ওর আবার কাপড় ইস্ত্রি করার আয়রনটা খারাপ হয়ে গেছে বলে বেশ চিন্তিত। আমার কাছে পরামর্শ নিচ্ছিল কোন কোম্পানির আয়রন ভালো, আমি কোন আয়রন ব্যবহার করি ইত্যাদি। আলোচনার ফাঁকে গিন্নি একবার এসেছিল চা দিতে। কিন্তু ওর চোখ মুখের ভাব দেখে কেমন অদ্ভুত মনে হল। বিরাট বড় ভয় বা আঘাত পেলে যেমনটা হয় আরকি। অথবা রাগ, দুঃখ, ভয় ইত্যাদির মিলিত প্রকাশ। ভাবলাম, রতন চলেগেলে জিজ্ঞেস করব ব্যাপারখানা কি! রতন চলেযেতেই আমার কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই ও প্রায় ঝাপিয়ে পড়ল আমার উপর- “ছোটলোক, লম্পট, চরিত্রহীন, তুমি এতটা নীচে নামতে পারবে স্বপ্নেও ভাবিনি! ছি ছি ছি!” বলেই হাউ হাউ করে কান্না।
আমি আকাশ থেকে পড়লাম! মাথামুন্ডু কিচ্ছু বুঝতে না পেরে জিজ্ঞেস করলাম- “হয়েছে টা কি?”
–“কি ভেবেছ? আমি কিচ্ছু শুনিনি? বলো কোথায় সে?? কোথায় রেখে এসেছ তাকে??”
–“কি আশ্চর্য!! কাকে? কার কথা বলছ?”
–“এমন ভাব করছ যেন ভাজা মাছটি উল্টে খেতে জানোনা! তোমার দ্বিতীয় স্ত্রী!! কোথায় সে? তুমি তো কোনো দিন বলোও নি আমি তোমাকে সেই সুখ দিতে পারিনা। হে ভগবান! শেষে আমার কপালে এই ছিল!”
আমি যেন ভিরমি খেয়ে পড়ব। কি জানি কে আবার আমার গিন্নির কান ভাঙালো। শয়তান প্রতিবেশির তো অভাব নেই। কিন্তু ও তো লোকের কথায় বিশ্বাস করার মেয়ে নয়!
–“দ্বিতীয় স্ত্রী? কী যা তা বলছ তুমি?”
–“হ্যাঁ, হ্যাঁ, ঠিকই বলছি।”
–“কার কাছ থেকে এসব গাঁজাখুরি গল্প শুনেছ?”
–“তোমার মুখ থেকে, আমি নিজের কানে শুনেছি একটু আগেই। তোমার বন্ধুকে বলোনি ঊষার কথা? বলোনি ঊষা তোমার স্ত্রী। ও খুব ভালো। খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়। ছ’ মাসের মধ্যে দুবার ছ্যাঁকা খেয়েছ, তবুও তার নাকি পারফরমেন্স খুব ভালো। কেন? আমি কি গরম হইনা? আমার পারফরমেন্স কি খুব খারাপ? বলো কোথায় রেখে এসেছ তাকে?”
— “এবার গোটা ব্যাপারটা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে। আমি হাসব না কাঁদব বুঝতে পারলাম না। সোজা শোবার ঘরের আলনার তলা থেকে আমার স্ত্রীর সতীনকে টেনে বের করে আনলাম, “এই যে আমার দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী, থুড়ি, ইস্ত্রি। ঊষা কোম্পানির। এক মিনিটের মধ্যেই গরম হয়ে যায় গো।”
এবার মহাশয়ার মান ভঞ্জন হলো। জামার কলার টেনে ধরে বুকে মুখ গুঁজে দিয়ে আদুরে গলায় বলল, “ঊষাই কিনতে হবে তোমায়? দেশে কি কোনো পুরুষ কোম্পানি ছিল না?”

বৃষ্টি হচ্ছে

পতি : দেখ বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে।
পত্নী : হুহ্‌, অত আদিখ্যেতা দেখাতে হবে না, ঘরে ব্যাসন পেঁয়াজ কিছু নেই, পকোড়া হবে না। ছেলে মেয়ে গুলো বড় হচ্ছে, সে খেয়াল আছে? ঐসব ছাইপাশ গেলার জন্য ঘরে বরফ নেই বলে রাখছি, ফ্রিজ সকাল থেকেই বন্ধ ছিল।

পতি চুপ করে পত্নীর দিকে তাকিয়ে ভাবছে, কি বললাম আর তার কি মানে হয়ে গেল। 🤔

পত্নী পতিকে ওভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে, একটু চুপ করে থেকে বলে… আমার দিকে তাকিয়ে লাভ নেই, আমার কোমরে ব্যথা, যন্ত্রণায় মরে যাচ্ছি…

পতি ভাবছে… সাদা মনে বৃষ্টি হচ্ছে বলাও যাবে না…

😛😜😆🤣

যা তা মেয়ে

বাসস্টপে অপেক্ষা রত এক স্মার্ট যুবতীকে এক যুবক চোখ মারল।😀
যুবতী সোজা যুবকের কাছে এসে থ্রেট করার ভঙ্গিমায় বললো,’দেখুন আমি যা তা মেয়ে ন‌ই।।😀
যুবক: সে তো আপনি হতেই পারেন, কিন্তু চেক করাও তো আমার কর্তব্য‌😀😀

পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ইংরেজি বলার দুর্বলতা

পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ইংরেজি বলার দুর্বলতা নিয়ে সবাই কম বেশী জানেন। 😂😂😂

‘ইনজামাম উল হক’ অধিনায়ক থাকাকালীন সময়ের ঘটনা…..ইনজামাম ইংরেজিতে দুর্বল ছিলেন, তাই আগে থেকেই মুখস্থ একটি ডায়লগ তিনি ম্যাচ শেষের পুরষ্কার বিতরণীতে বলতেন। ✌✌✌

ডায়লগটি বাংলায় ছিল এমনঃ”আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সবাই এর জন্য অনেক পরিশ্রম করেছি। এটাতে আসলে সবারই অবদান ছিল। দলীয় ভাবে কাজ করায় আমরা সফল হয়েছি।👌👌👌

বিশেষ করে যার কথা না বললেই নয় (ঐ ম্যাচে যে ভাল করত তার নাম) তার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। 😂😂😂

তো একদিন পাকিস্তান ম্যাচ জিতেছে, আর ওই দিনই খবর এলো ইনজামামের এক সন্তান হয়েছে। ✌✌✌

তো কমেন্ট্রেটর ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করলেনঃ “প্রথমেই জিজ্ঞেস করব আপনার সন্তান হয়েছে। আপনার অনুভূতিটা কি?” 😊😊😊

ইনজামামঃ “আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সবাই এর জন্য অনেক পরিশ্রম করেছি। এটাতে আসলে সবারই অবদান ছিল। দলীয়ভাবে কাজ করায় আমরা সফল হয়েছি। বিশেষ করে যার কথা না বললেই নয়..আফ্রিদির জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। 😂😂😂

৮০ বছরের বৃদ্ধ

৮০ বছরের বৃদ্ধ খেঁজুর গাছ থেকে পড়ে মাথা ফাটিয়ে নিউরোসার্জনের কাছে গেলেন।

ডা: রোগীকে দেখে ক্রিমির ঔষধ লিখে বিদায় করলেন।

কিছুক্ষন পর তুমুল আক্রমণাত্মক রোগীর লোকজন ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকেই বললেন, অই ডাক্তার, খেঁজুর গাছ থেকে পইড়া মাথা ফাটাইলে কেউ ক্রিমির ঔষধ দেয়, ফাইজলামি?

ডাঃ বললেন, দেখেন প্রতিটা রোগের মূল হতে চিকিৎসা করতে হয়। গুড়াক্রিমিতে না কুটকুটাইলে ৮০ বছর বয়সে কেউ খেঁজুর গাছে উঠে!!!!

😜😛😆😂🤣

Download PDF

Download Now

Recent Posts