বিশ্বকর্মা পূজা প্রধানত একটি হিন্দুধর্মীয় উৎসব; এই উৎসবে হিন্দু স্থাপত্য দেবতা বিশ্বকর্মার সন্তুষ্টি লাভের প্রত্যাশা নিয়ে এই পূজা উদযাপন করা হয়ে থাকে। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে বিশ্বকর্মা হলেন দেবতাদের শিল্পী এবং এই কারণে তিনি আপামর জনতার কাছে দেবশিল্পী নামে পরিচিত।স্বর্গের অনান্য দেবতাদের মতন বিশ্বকর্মার পূজা হয় এই মর্ত্যলোকে ও ।

বিশ্বাস করা হয় যে তাঁর আশীর্বাদে মর্ত্যবাসীগণ শিল্পকাজে যথেষ্ট পারদর্শী হতে পেরেছেন। সাধারণত ভাদ্র মাসের সংক্রান্তি অর্থাৎ শেষ দিনটিতে বিশ্বকর্মা পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে । বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত মানুষ এই দিন নিজেদের উন্নত ভবিষ্যতের জন্য, নিরাপদ কাজের পরিস্থিতি এবং নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি হেতু এবং সর্বোপরি নিজ নিজ ক্ষেত্রে সাফল্যের কামনায় ভগবান বিশ্বকর্মার কাছে পূজা এবং প্রার্থনা করে থাকেন।
॥ভগবান বিশ্বকর্মার পরিচিতি ॥ Introduction to Lord Vishwakarma
বিশ্বকর্মা হলেন স্বয়ম্ভু এবং এই সমগ্র বিশ্বের স্রষ্টা। তিনি হলেন বৈদিক দেবতা। চতুর্থ বেদের মধ্যে অন্যতম, ঋগবেদের দশম মণ্ডলে ৮১ এবং ৮২ সূক্তদ্বয়ে ভগবান বিশ্বকর্মার নাম বিশেষভাবে উল্লিখিত আছে। ঋগবেদ অনুযায়ী ভগবান বিশ্বকর্মা সর্বদর্শী এবং সর্বজ্ঞ। কথিত আছে যে তাঁর চক্ষু, মুখমণ্ডল, বাহু ও পদ সব দিকে পরিব্যাপ্ত।
বিশ্বকর্মা হলেন বাচস্পতি, মনোজব, বদান্য, কল্যাণকর্মাএবং বিধাতা অভিধায় ভূষিত। তিনি একাধারে ধাতা, বিশ্বদ্রষ্টা এবং প্রজাপতি।বিষ্ণুপুরাণ অনুযায়ী যোগসিদ্ধা হলেন বিশ্বকর্মার মাতা এবং অষ্টম বসু প্রভাস হলেন তাঁর পিতা। যোগসিদ্ধা ছিলেন দেবগুরু বৃহস্পতির বোন এবং অষ্টম বসু প্রভাস ছিলেন দক্ষরাজার কন্যা বসুর্যার গর্ভের সন্তান। অষ্টবসুর অর্থ হল আট জন গণ দেবতা ; তাঁরা হলেন – ধর, ধ্রুব, সোম, অনিল, অনল, প্রত্যুষ, প্রভাষ ও দ্যু।
এই অষ্টবসু ছিলেন দক্ষরাজার কন্যা বসুর্যার পুত্র। বর্ণনা অনুসারে বিশ্বকর্মার চারটি বাহু, মাথায় সজ্জিত রাজার মুকুট, হস্তে শোভিত জলের কলস, বই, দড়ির ফাঁস ও অন্য হাতে একটি যন্ত্র উপস্থিত।
বিশ্বকর্মা পুজোর ইতিবৃত্ত এবং শুভেচ্ছাবার্তা সংক্রান্ত আমাদের আজকের এই পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে আশা করি জগদ্ধাত্রী পুজোর শুভেচ্ছা সম্পর্কিত আমাদের পোস্টটি ও আপনাদের মনের মতন হবে।
॥বিশ্বকর্মার সৃষ্টিতত্ত্ব ॥ Cosmology of Vishwakarma
বিশ্বকর্মা হলেন শিল্পী ও নির্মাতাদের দেবতা । ব্রহ্মা-পুত্র বিশ্বকর্মাই সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নকশা নির্মাণ করেছেন বলে জানা যায়। সর্বদর্শী ভগবান বিশ্বকর্মা বাহু ও পদদ্বয়ের সাহায্যে স্বর্গ, মর্ত্য ও পাতাল অর্থাৎ ত্রিভুবন নির্মাণ করেছেন। শিল্প সমূহের প্রকাশক, অলঙ্কারের স্রষ্টা এবং দেবতাদের বিমান ও রথ নির্মাতা বিশ্বকর্মা, সুনিপুণ দক্ষতায় দেবতাদের সকল অস্ত্র নির্মাণ করেছেন।ঈশ্বরের প্রাসাদের নির্মাণকর্তা ও হলেন বিশ্বকর্মা।
দেবতাদের রথ ও অস্ত্রও তৈরি করেছিলেন তিনি। মহাভারতে বর্ণিত আছে যে বিশ্বকর্মা হলেন শিল্পকলার দেবতা। শিল্পের শ্রেষ্ঠকর্তা, সহস্র শিল্পের আবিষ্কারক বিশ্বকর্মা দেবতা কৃষ্ণের রাজধানী, পবিত্র দ্বারকা শহরটি নির্মাণ করেছিলেন। তিনি রামায়ণে বর্ণিত লঙ্কা নগরী, পাণ্ডবদের মায়া সভা, রামায়ণে উল্লিখিত ব্রহ্মার পুষ্পক রথ,দেবতাদের যাতায়াতের জন্য বিভিন্ন বাহন ও নির্মাণ করেছিলেন ।
তিনি এমনই একজন মহান স্রষ্টা ছিলেন যিনি দেবপুরী এবং বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র, শিব এর ত্রিশূল, কুবের এর অস্ত্র, ইন্দ্রের বজ্র, কার্তিকের শক্তি সহ দেবতাদের জন্য বহু কল্পিত অস্ত্রের সৃষ্টি করেছিলেন। মর্ত্যলোকের ভক্তরা তাই বিশ্বাস করেন যে তিনি এই বিশ্বের সমস্ত কার্যাবলির সম্পাদক; সব ধরনের শিল্পের প্রকাশক। শিল্পবিদ্যায় তাঁর রয়েছে একচ্ছত্র অধিকার। বিশ্বকর্মা স্বয়ং নিজেই চতুঃষষ্টিকলা, স্থাপত্যবেদ এবং উপবেদ এর প্রকাশক। বর্ণিত আছে যে পুরীধামের বিখ্যাত জগন্নাথমূর্তিও তিনিই নির্মাণ করেছিলেন। তাঁকে স্বর্গীয় ছুতার হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
॥বিশ্বকর্মার বাহন ॥ Bishwakarma r bahon
বিশ্বকর্মার বাহন হল হাতি। তিনি শুধুমাত্র দেবশিল্পী ই নন, মর্ত্যবাসী মানবদেরও শিল্প প্রজাপতি ও তিনি।
॥বিশ্বকর্মা পূজার নির্ঘণ্ট ॥ Nirghanta of Vishwakarma Puja
ভাদ্রমাসের সংক্রান্তির দিন, ইংরেজি মতে ১৭ ই সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মার পূজা পালন করা হয়। এই পুজোর তিথি স্থির হয় সূর্যের গতি প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। সূর্য যখন সিংহ রাশি থেকে কন্যা রাশিতে গমন করে, তখনই হয় উত্তরায়ণ। দেবতারা নিদ্রা ভঙ্গ হয় এবং শুরু হয় বিশ্বকর্মার পুজোর শুভ সূচনা এবং আয়োজন।
হিন্দু পঞ্জিকার দুই প্রধান শাখা সূর্যসিদ্ধান্ত এবং বিশুদ্ধসিদ্ধান্ত- উভয়েই এ বিষয়ে একমত পোষণ করে।প্রথমেই বলা হয়েছে যে বিশ্বকর্মার পুজোর দিন ভাদ্র মাসের শেষ তারিখে নির্ধারিত; আর এই ভাদ্র সংক্রান্তির ঠিক পূর্বে বাংলা পঞ্জিকায় পাঁচটি মাসের উল্লেখ মেলে।
উক্ত পাঁচটি মাসের দিনের সংখ্যাও প্রায় বাঁধাধরাই- সাকুল্যে ১৫৬টি দিন হয়ে থাকে আর এই নিয়ম অনুসারে বিশ্বকর্মা পুজোর যে বাংলা পঞ্জিকা মতে তারিখটি বের হয়, তা হল ইংরেজি ক্যালেন্ডারের ১৭ই সেপ্টেম্বর। আবার দেখা গেছে যে কোনও কোনও বছরে এই পাঁচ মাসের মধ্যে কোনো মাস যদি ২৯ বা ৩২ দিনের হয়ে থাকে, একমাত্র সেই সময়েই বিশ্বকর্মা পুজোর দিন পিছিয়ে যায় অথবা এগিয়ে যায়। তবে এটি এক অতীব ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে মানা হয়।
বিশ্বকর্মা পুজোর ইতিবৃত্ত এবং শুভেচ্ছাবার্তা সংক্রান্ত আমাদের আজকের এই পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে আশা করি দুর্গাপূজা – বাংলা রচনা সম্পর্কিত আমাদের পোস্টটি ও আপনাদের মনের মতন হবে।
॥বিশ্বকর্মা পুজো প্রধানত কারা করে থাকেন॥ Who mainly performs Vishwakarma Puja?
বিশ্বকর্মা পূজার প্রচলন সর্বাধিক হল কারখানায়। তবে স্বর্ণকার, কর্মকার , দারুশিল্প, স্থাপত্যশিল্প, মৃৎশিল্প ও বিভিন্ন শিল্পকর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিরাও নিজ নিজ কার্যে দক্ষতা অর্জনের জন্য বিশ্বকর্মার পূজা করে থাকেন।কারখানা ছাড়াও এই পূজা শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পালন করা হয়ে থাকে। সাধারণত দোকানের মেঝেতে পূজার আয়োজন করা হয়; আবার কখনো কখনো বিশ্বকর্মার মূর্তি স্থাপন করে অথবা পটে আঁকা চিত্র সামনে রেখে বিশ্বকর্মা পূজা সম্পাদন করা হয়।
এই বিশেষ পূজা দোকান কিংবা শিল্প প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মী একসাথে এক জায়গায় একত্রিত হয়ে করে থাকেন। শ্রমিকেরা তাদের ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পারে তার জন্য প্রার্থনা করে। কখনো কখনো কারিগরেরা এইসব যন্ত্রপাতি বিশ্বকর্মার নামে সমর্পন করে এবং পূজা চলাকালীন সেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকে। বর্তমানকালে আধুনিক ইলেকট্রনিক সার্ভারগুলিও যাতে সুষ্ঠুভাবে কার্য সম্পাদন করতে পারে সে জন্যও অনেক কলাকুশলী ভগবান বিশ্বকর্মার উপাসনা করে থাকেন। এক কথায় বলা যায়, বিশ্বকর্মার সন্তুষ্টি অর্জন ও তার প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন সব ধরনের পেশায় নিযুক্ত মানুষেরাই করে থাকেন।
বিশ্বকর্মা পূজা কোথায় উদযাপিত হয়, Where is Vishwakarma Puja celebrated?
বাংলাদেশ, ভারতের আসাম, উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটক, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা এবং ত্রিপুরা রাজ্যে সৌর বর্ষপঞ্জী অনুসারে এই দিনটি পালন করা হয়ে থাকে। প্রতিবেশী দেশ নেপালেও এই উৎসব পালন করা হয়। তবে বিশেষ কিছু অঞ্চলে অক্টোবর-নভেম্বর মাসে দীপাবলির একদিন পরে যখন গোবর্ধন পূজা হয় তখন একই সাথে বিশ্বকর্মা পূজা ও পালন করা হয়ে থাকে।
॥পূজা কীভাবে উদযাপন করা হয় ॥ How Puja is celebrated?
বিশ্বকর্মা পূজার দিন সকলের ঘরে ঘরে বিশেষ রকমে খাদ্য এবং আহারের আয়োজন করা হয় এবং পূজার পরে অধিকাংশ এলাকা তেই সমবেতভাবে ঘুড়ি ওড়ানো হয়। বিশ্বকর্মা পূজার এটি একটি অনন্য রীতি।
বিশ্বকর্মার ধ্যান মন্ত্র :
ওঁ বিশ্বকর্মন্ মহাভাগ সুচিত্রকর্মকারক্ ।বিশ্বকৃৎ বিশ্বধৃক্ ত্বঞ্চ রসনামানদণ্ডধৃক্ ।।
বিশ্বকর্মার প্রনাম মন্ত্র:
দেবশিল্পি মহাভাগ দেবানাং কার্য্যসাধক বিশ্বকর্মন্নমস্তুভ্যং সর্বাভীষ্টপ্রদয়ক ।।
বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছাবার্তা | Vishwakarma Jayanti Messages, Greetings in Bangla
বিশ্বকর্মা পুজোর ইতিবৃত্ত এবং শুভেচ্ছাবার্তা সংক্রান্ত আমাদের আজকের এই পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে আশা করি সরস্বতী পূজা রচনা সম্পর্কিত আমাদের পোস্টটি ও আপনাদের মনের মতন হবে।
বিশ্বকর্মা পূজা নতুন শুভেচ্ছা, Biswa Karma puja new wishes in Bangla
- যিনি হাতের শ্রমকে পূজার আসনে বসান, সেই বিশ্বকর্মা ঠাকুরের কৃপায় তোর জীবনে ফুটুক সৃষ্টির রঙ।
- ইঞ্জিন, কলকারখানা, হালচাষের লাঙল—সবকিছুর শক্তি হোক আশীর্বাদের প্রতীক। শুভ বিশ্বকর্মা পূজা।
- শুধু যন্ত্র নয়, মনকেও নতুন করে গড়ে তুলুক আজকের দিন। শুভেচ্ছা রইল।
- বিশ্বকর্মা পূজার এই সকালে, তোর প্রতিটি পরিশ্রম হোক সোনার মতো উজ্জ্বল।
- যন্ত্রে যেন কখনো থামনো না আসে, জীবনের গতি চলুক অক্লান্ত। শুভ বিশ্বকর্মা পূজা।
- সৃষ্টির স্থপতি আজ আশীর্বাদ করুন তোর ঘর, কাজ আর মনকে।
- শুধু মেশিন নয়, মানুষের মনেও জেগে উঠুক উদ্যম আর আশা। শুভ বিশ্বকর্মা পূজা।
- তোর প্রতিটি উদ্যোগ হোক বিশ্বকর্মার হাতের ছোঁয়ায় সফল।
- আকাশে ঘুড়ির ডানার মতো তোর স্বপ্নও উড়ুক নির্ভয়ে। শুভেচ্ছা রইল।
- শ্রমই যেখানে পূজা—সেই বার্তায় আজকের দিন হোক আলোয় ভরা।
- বিশ্বকর্মা পূজা মানেই নতুন করে শুরু করার সাহস—সেই সাহস তোর জীবনে আসুক।
- প্রতিটি হাতের কাজ হোক শিল্পে রূপান্তরিত, প্রতিটি ঘামের ফোঁটা হোক পূণ্য।
- তোর জীবনে আসুক সৃষ্টির আনন্দ, গড়ার শক্তি আর সফলতার আলো। শুভ বিশ্বকর্মা পূজা।
- যেমন বিশ্বকর্মা ঠাকুর সবকিছুর কারিগর, তেমনি তুই হ। জীবনের প্রতিটি বাঁকে নিজেই গড়ে তোর পথ।
- শ্রমের মধ্যেই যে সত্যিকারের আনন্দ, সেই উপলব্ধি হোক আজকের আশীর্বাদ।
- কলকারখানার প্রতিটি যন্ত্রে যেন বেজে ওঠে শান্তির সুর। শুভেচ্ছা রইল।
- কাজের মাঝে খুঁজে নে পূজা—তাহলেই আজকের দিন সত্যি মহিমান্বিত হবে।
- বিশ্বকর্মার আশীর্বাদে তোর প্রতিটি স্বপ্ন পাক বাস্তবের রূপ।
- তোর জীবনে যত প্রতিবন্ধকতা আসুক, সৃষ্টির শক্তি দিয়ে ভেঙে ফেল সবকিছু। শুভ বিশ্বকর্মা পূজা।
- আজকের এই পবিত্র দিনে, শুধু যন্ত্র নয়—তোর মনও পাক নতুন দিশা। শুভ বিশ্বকর্মা পূজা।
বিশ্বকর্মা পুজোর নতুন শুভেচ্ছা বার্তা, Latest good wishes on Viswakarma Puja
বিশ্বকর্মা পুজোর শুভেচ্ছা ক্যাপশন, Biswakarma pujor caption
- আন্তর্জাতিক মৃগীরোগ দিবসের বার্তা, International Epilepsy Day Quotes in Bengali
- বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসের ইতিহাস ,স্লোগান ও বার্তা World Hepatitis Day History, slogan and quotes
- শুভ ওনাম শুভেচ্ছা 2025, Happy Onam 2025 in Bengali
- শুভ জন্মদিন প্রিয়, Happy birthday dear in bangla
- নাগ পঞ্চমীর ইতিহাস, উক্তি, স্ট্যাটাস ও বার্তা, Nag Panchami quotes and status in Bengali
পরিশেষে, Conclusion
বিশ্বকর্মা পুজোর ইতিবৃত্ত এবং শুভেচ্ছাবার্তা সংক্রান্ত আজকের এই পোষ্টটি আপনাদের পছন্দ হলে আশা করব আপনারা আপনাদের বন্ধু মহলে, পরিজনকেও সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্টটি শেয়ার করে নেবেন।