মানুষের মধ্যে থাকা কিছু নিকৃষ্ট গুণের মধ্যে অন্যতম হলো বিশ্বাসঘাতকতা। যারা অন্যের বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে পারেনা তারা কৃতপক্ষে অতি হীন মনুষ্যত্বের অধিকারী। ইতিহাস সাক্ষী যে যারা বিশ্বাসঘাতক তারা কখনো নিজেরা সুখে থাকতে পারে না। আমাদের আজকের এই পোস্টটিতে আমরা ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ নিয়ে উক্তি তুলে ধরব।
বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ মানুষ সামাজিক মাধ্যমেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজের মনোভাব তুলে ধরার চেষ্টা করে, তাই আপনাদের মধ্যে যারা এই বিষয় নিয়ে স্ট্যাটাস, ক্যাপশন, উক্তি, ছন্দ ইত্যাদি খোঁজ করে থাকেন তারা এই পোস্টে থাকা লেখাগুলো খুব সহজেই সংগ্রহ করে নিতে পারবেন। আশা করছি এই লেখাগুলো পাঠকদের পছন্দ মতন হবে এবং বিভিন্ন সময়ে ব্যবহার করার যোগ্য হবে।
বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে সেরা উক্তি, Best Bengali quotes about treachery
বিশ্বাসঘাতকতা বর্তমান সময়ে সমাজে এমন এক ভায়াবহ রূপ ধারণ করেছে যার ফলে মানুষ বর্তমানে একে অপরকে আর বিশ্বাস করতে পারেনা
বিশ্বাসঘাতকতার কারণে সমাজ থেকে সুখ-শান্তি সমৃদ্ধি চলে যেতে বসেছে।
বর্তমান যুগে বেশিরভাগ মানুষ অন্যকে বিশ্বাসঘাতকতা করে ধোকা দিয়ে থাকে । সে কারণেই মানুষ আর বিশ্বাসের উপর আস্থা রাখতে পারেনা।
মানুষ প্রতিনিয়ত বিশ্বাস করে মানুষের কাছে প্রতারিত হচ্ছে, এভাবে দিনে দিনে বিশ্বাসঘাতকতা বেড়েই চলেছে।
নীরবতা হলো একজন মানুষের প্রকৃত বন্ধু যে কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করে না।
বিশ্বাসঘাতকতা এর ক্ষেত্রে সবথেকে রূঢ় বাস্তব ও কষ্টের বিষয় হলো যে এটি শত্রুর কাছে থেকে আসেনা।
একজন ভালো বন্ধু ও ভালো মানুষ হওয়ার প্রথম শর্ত হল বিশ্বাসঘাতকতাকে দূরে ঠেলে দেওয়া।
বিশ্বাস তৈরি করতে কয়েক বছর সময় লাগে তবে বিশ্বাসঘাতকতায় তা ধ্বংস হতে কয়েক সেকেন্ডও সময় লাগে।
দোষ ও বিশ্বাসঘাতকতা উন্নতির সংবেদনশীল শত্রু, এই দুটিকে যে দূরে রাখতে পারে সেই সফলতা লাভ করতে পারে।
বন্ধু যত কম থাকবে, বিশ্বাসঘাতকতার সুযোগ তত কম থাকবে।
যে আপনার সঙ্গে একবার বিশ্বাসঘাতকতা করেছে সে দ্বিতীয় বারও করতে পারে, তাই তাকে বিশ্বাস করার আগে শতবার ভাবতে হবে।
বিশ্বাসঘাতকতা এমন একটি বিষয় যা মানুষকে অনেক কষ্ট দেয়।
যখন কেউ আপনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তখন সেটা তাদের চরিত্রের প্রতিচ্ছবি, আপনার নয়।
বিশ্বাসঘাতকতকরা একবার বিশ্বাসঘাতকতা করলে আর কারো বিশ্বাস অর্জন করতে পারেনা।
কেউ যখন কারো সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে তখন সে, নিজের সাথেও বিশ্বাসঘাতকতা করে।
বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে সেরা লাইন /কবিতা, Wonderful poetic versus about treachery
ভালোবাসার মতো যা মনে হয়েছিল তা বিশ্বাসঘাতকতা!”
সমস্ত ঘা নিরাময়ের ক্ষমতা আছে। একমাত্র ব্যতিক্রম প্রিয়জনের বিশ্বাসঘাতকতার দ্বারা সৃষ্ট ঘা”
অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষা, লোভ, লালসা বা আবেগগুলি কে যখন মানুষ নিয়ন্ত্রিত করতে পারে না তখন তারা বিশ্বাসঘাতকতা করে
বিশ্বাসঘাতকতা হলো বিষ, মানুষের মাঝে এটি প্রবেশ করলে মানুষকে ধীরে ধীরে বিষাক্ত করে ফেলে।
কিছু মানুষ বন্ধুত্বের মূল্য বোঝেনা এবং বিশ্বাসঘাতকতা করে নাম মাত্র মূল্যের বিনিময়ে।
সব অপরাধীর ক্ষমা আছে কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতার কোন ক্ষমা নেই!
বিশ্বাসঘাতকতা মানব জীবনের এক মস্ত বড় কলঙ্ক। এটি এমন একটি বিষাক্ত জিনিস যা সমস্ত সম্পর্ক কে কলঙ্কিত করে।
বিশ্বাসঘাতক বন্ধু এবং বিষধর সাপের বিষ -দুই সমগোত্রীয়!
ঘরের মেরুদণ্ডহীন লতা গাছটাওআত্মার সীমানা পেরিয়ে গেছেতাই ঢেঁড়স ফুলের বৃত্ত দেখলেএখন ভয় হয় আমার,না জানি কত ভ্রমরকেএই গহ্বর গিলে খেয়েছে।আমি বসন্ত বা অগ্রহায়ন নইশুধু আশাতে জলে ডুব দিয়ে থাকিএকটুখানি দেখতে পেলেবাতাস নিয়ে বাঁচি,তাইশ্রাবনে অনর্থক ওই কৃষ্ণচূড়াকেওবিশ্বাসঘাতক বলে ডাকি।
অন্ধকারে ছিলাম পড়ে হাত বাড়িয়ে ডাকলেভালোবাসতে শিখালে, বিশ্বাস করতে বাধ্য করলে,সেই তুমিই দূরে ঠেলে দিলেবিশ্বাসের খুন করলে নিজ হাতে,এখন ভয় হয় কাউকে আপন ভাবতে।অন্ধকারেই ছিলাম ভালো, দিলে কেনো দেখাহঠাৎ করেই কেনো আবার করে দিলে একা ?ভালোই করেছো,এখন আর কাউকে বিশ্বাস করেনতুন করে কষ্ট পেতে হবে না,তুমি বিশ্বাসঘাতক, তুমি আমার ভালোবাসার খুনিতবুও বলবো সুখে থাকো তুমি।
মানুষের ধর্ম বিবেক মানবিকতা।অমানবিক কিছু মানুষের বিশ্বাসঘাতকতা।স্বার্থসিদ্ধিতে বর্তমান ও ইতিহাস কলুষিত।মানবিকতা ভুলে বিশ্বাসঘাতকতায় লিপ্ত।রাবণের মৃতুর কারণ বিভীষণ।মেঘনাদ বধে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে লক্ষণ।যজ্ঞ পণ্ডের মন্ত্রণায় বিভীষণ।বিশ্বাসঘাতক বিভীষণ দেয় সন্ধান মৃতুবাণ।মহাবলী রাবণের পতন মরণ।ষড়যন্ত্রে ভাই বধে বিভীষণ।মীরজাফরের পঞ্চাশ হাজার সৈন্যদল।নিশ্চুপ নিশ্চল থেকে আত্মসমর্পণ।মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায়ভারতের স্বাধীনতার অবসান।রোমান সৈন্যের যিশু সনাক্তকরণ।জুডাসের সেই বিষাক্ত চুম্বন।কুখ্যাত এইসব বিশ্বাসঘাতকতা।স্বর্ণাক্ষরে লিখিত ইতিহাস পাতা।
বিশ্বাসঘাতকতা প্রকৃতপক্ষে নরকীয় এক প্রবৃত্তি, তাই বিশ্বাসঘাতক বন্ধু বা আত্মীয় কে সর্বদা এড়িয়ে চলুন। আমরা চেষ্টা করেছি আজকের এই পোস্ট দ্বারা ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস, ক্যাপশন, ছন্দ ও কবিতা ইত্যাদি আপনাদের কাছে তুলে ধরার। আশা করি আজকের এই পোস্ট ভালো লেগেছে। এই পোস্টটি যদি আপনাদের মনোগ্রাহী হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনার আত্মীয় পরিজন ও বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে নিতে পারেন। এরূপ আরো পোস্ট পাওয়ার জন্য নজর রাখুন আমাদের এই ওয়েবসাইটে।
Oindrila Banerjee, a master's graduate in Modern History from Calcutta University, embodies a diverse range of passions. Her heart resonates with the rhythm of creative expression, finding solace in crafting poetic verses and singing melodies. Beyond her academic pursuits, Oindrila has contributed to the educational realm, serving as a teachers' coordinator in a kindergarten English medium school. Her commitment to nurturing young minds reflects her belief in the transformative power of education. Oindrila's guiding principle in life, encapsulated in the motto, "There are two ways of spreading light: to be the candle or the mirror that reflects it,"