আভিজাত্য বলতে সাধারণ ভাবে উচ্চবংশীয় অর্থাৎ উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন কোনো বংশের সদস্য হওয়াকে বোঝায়, তবে অনেকেই নিজের ব্যবহার, চাল চলন বা অনেক ক্ষেত্রে নিজের সৌখিনতা প্রকাশের দ্বারাও আভিজাত্যের প্রকাশ করে থাকে।
আমাদের আজকের এই পোস্টটিতে আমরা আভিজাত্য সম্পর্কিত কিছু উক্তি, কবিতা তুলে ধরব, আপনাদের মধ্যে যারা এই বিষয়ে স্ট্যাটাস, ক্যাপশন, উক্তি ইত্যাদি খোঁজ করে থাকেন তারা এই পোস্টে থাকা উক্তিগুলো খুব সহজেই সংগ্রহ করে নিতে পারবেন এবং বিভিন্ন সময়ে কাজে লাগাতে পারবেন।
আভিজাত্য নিয়ে ক্যাপশন, Abhijatyo niye caption
অভিজাত বংশের হলেই যে শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমানের হবে এমন কোনো কথা নেই। আবার কোনো নিম্ন বংশীয় ব্যক্তিও অনেক সময় উচ্চশিক্ষা লাভ করে অনেক সম্মানজনক পদের অধিকারী হয়ে ওঠে।
আদিকাল হতেই দেখা গেছে যে কোনো স্থানে যে পরিমাণ নীচু সম্প্রদায়ের লোক থাকে, তাদের মধ্যে আভিজাত্য পূর্ণ ব্যক্তিগণ থাকবেই, কারণ পৃথিবীতে দুটি পদই সমানভাবে প্রয়োজনীয় এবং একটি অন্যটির পরিপূরক।
অদ্ভুত জায়গায় গিয়েও কেউ কেউ আভিজাত্যের ছোঁয়া খুঁজে পায়।
পুরনো সময়ে মা ঠাকুমাদের শাড়িতে এক আভিজাত্যের ছোঁয়া খুঁজে পাওয়া যেত, আজকালের ফ্যাশন করা শাড়ী পরে সেই অনুভূতিটা আর পাওয়া যায়না।
আত্মবিশ্বাস, আভিজাত্য এবং ব্যক্তিত্বের স্ফূরণ ঘটে ধনী ব্যক্তিদের চালচলনে। গরীবের ক্ষেত্রে তো কোনোভাবে ২ বেলা ভাত আর থাকার জোগাড় করাই যথেষ্ট হয়।
আমি এমন নারীবাদে একদম বিশ্বাস করি না, যা নারীদের পূর্ণতা বা অতি বীরত্বপূর্ণ আভিজাত্যের দাবি করে থাকে। তবে এর মানে এই নয় যে পুরুষতন্ত্রের সেবায় নারীদের লাগিয়ে রাখা কোনও রকম বিজয়ের বিষয়, বরং সকলের সম অধিকার রাখা জরুরী।
আভিজাত্য বলতে অনেকে মনে করেন যে শুধু পোশকই নয়, সঙ্গে থাকা প্রতিটি জিনিস হওয়া চাই দৃষ্টিনন্দন, তবে এসব ছাড়াও শুধু ব্যবহারের মাধ্যমেও আভিজাত্য বজায় রাখা যায়।
কারও জন্ম থেকে পাওয়া আভিজাত্য সবসময় মনের সংশ্লিষ্ট ঐক্যকে নিশ্চিত করে না; তবে যদি ঐক্যতা তৈরি হয়, তাহলে এটি সবসময়ই মহৎ কর্মের জন্য উদ্দীপক হিসাবে কাজ করবে।
আমাদের জীবন এমন কোনো অ্যাডভেঞ্চারের প্রতি আকাঙ্ক্ষিত লড়াই হওয়া উচিত যার আভিজাত্য আপনাকে পূর্বের তুলনায় আরো উর্বর করে তুলবে।
আবার যদি তোকেচেনা ছকে বেঁধে ফেলি…জীবন খেলবে তখন কানামাছি ।।যাদের জন্ম কাঁটাতারে, তোকে ছুঁয়ে দেখার অভিপ্রায়…তাদের কাছে একরকমের আভিজাত্য ।।
আকাশের গায়ে সেদিন লিখেছি এক কবিতা , মেঘের পালক খচিত একটি কলমের আঁচড়ে।দখিনা বাতাসও সেদিন চুপটি করে বসেছিল আমার পাশে, পাখিগুলোও উড়ে যেতে যেতে দেখছিল সেই অপরূপ দৃশ্য…আবেগ ও অনুভূতিও সেদিন মিলেমিশে একাকার হয়েছিল, যেদিন তোমাকে নিয়ে লিখেছিলাম ভালোবাসার শব্দ উৎপাদনে অভিজাত এক কবিতা।
পাঁচ টাকার খাবারে দুই টাকার রং, তিন টাকার মোড়কে বেড়ে গেছে ঢং ।বিলবোর্ড আর চ্যানেলে বিজ্ঞাপন আছে, খাবারের গুণাগুণ যাই ভুলে পাছে ।বিশ টাকায় কিনে তা মজা করে খাই, এরপর মোড়কটার ডাস্টবিনে ঠাই ।স্থানভেদে ডেকোরেশন আলো রোশনাই, শত টাকায় একই চিজ ঠাট করে খাই ।পেট ভরুক নাই ভরুক মন ভরা চাই, নিজেকে অভিজাত চাই করা চাই ।
রঙ মুছে গেল ক্ষণিকে। জীবনের শত আভিজাত্য ধুলায় মিশলো এক নিমেষে। চোখ খোলা থাকলেও অন্ধকারে নিমজ্জিত প্ৰাণবায়ু । এই এত কিছুর পরেও কি দেশ ভাঙতেই হবে?
নীল রক্ত অভিজাত অথবা ধূর্ত নীল শেয়াল |এরা বিদ্রোহের গান গায়,বন্দুকের কথা বলে |ব্যবহার করে না নিজেরা কখনও,সমাজশুদ্ধি, শোষণমুক্তির অজুহাতেপ্রয়োজন মত বন্দুক তুলে দেয় এর-তার হাতে |
যেদিন তুমি পদ্মা থেকে ফেরো বিবির মত আঁট ক’রে চুল বাঁধি, তবুও তুমি আবার চিঠি লেখো, শুনছ আমি লুকিয়ে একা কাঁদি।যেদিন তোমার অমন মুখে মেঘ, আমি সেদিন চোখে কাজল পরি, আত্মঘাতী বউঠানের মতো পিঠের উপর.. চুলটা মেলে ধরি। তবুও তুমি মেঘ হয়েই থাকো । আর কীভাবে কত নকল করি ? যারা তোমায় মেঘ বানিয়ে দেয়… তাদের মতো অধরা অপ্সরী ….আমি তো নই এটাই আমার দোষ! আমার দুঃখে আভিজাত্য নেই, আমার অশ্রু লেখনি…কোনোদিন আমার ক্রোধেও রুচির ছাপ নেই।
আমরা চেষ্টা করেছি আজকের এই পোস্ট দ্বারা “আভিজাত্য” সম্পর্কিত উক্তি, স্ট্যাটাস, ক্যাপশন, ছন্দ ও কবিতা ইত্যাদি আপনাদের কাছে তুলে ধরার।
আশা করি আজকের এই পোস্ট ভালো লেগেছে। “আভিজাত্য” নিয়ে লেখা পোস্টটি যদি আপনাদের মনোগ্রাহী হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনার পরিবার, আত্মীয় পরিজন ও বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে নিতে পারেন। এরূপ আরো পোস্ট পাওয়ার জন্য নজর রাখুন আমাদের এই ওয়েবসাইটে।