প্রভু বিষ্ণুর অষ্টম অবতার , শ্রী কৃষ্ণ থেকে পাওয়া কিছু শাশ্বত উপদেশের সংকলন উপস্থাপিত করা হলো সকল পাঠকদের উদ্দেশ্যে । ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বাণী আপনাদের চলার পথে সঠিক মার্গ দর্শন করাবে এবং আলোর দিশারি হয়ে উঠবে ।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাণী, Words of Lord Shree Krishna in Bangla
জীবনে লক্ষ্য স্থির রাখা আবশ্যক, কারণ লক্ষ্য হীন জীবন মানুষ কে ভুল পথে চালিত করে ।
লোভ , হিংসা পরম শত্রু যার উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে মানুষের মৃত্যু অনিবার্য ।
ইন্দ্রিয় থেকে প্রাপ্ত আনন্দ প্রথমে অমৃতের মতো মনে হলেও শেষ পর্যন্ত এটি বিষের ন্যায় ক্ষতি কারক হয়ে ওঠে যা কেবল মানুষরে জীবন কে পাপে পরিপূর্ণ করে ।
মানুষের কামনা ও বাসনাই হল প্রভূত দুঃখের প্রধান কারণ ।
জন্মের সাথেই মানুষের মৃত্যু নির্ধারিত, তাই নিজের কর্ম করো যা অনিবার্য তার জন্য দুঃখ করো না ।
জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজন কর্ম অবশই সম্পাদন কর তবে বিনা অহংকারে বিনা লালসায়, বিনা হিংসায় কারণ সঠিক কর্ম করা উচিত ভালবাসা, সহানুভূতি, নম্রতা এবং ভক্তি সাথে ।
জীবনে কর্ম করে যাও ফলের আসা করো না ।
মনের স্থিরতার জন্য শান্তি, ভদ্রতা, নীরবতা, আত্মসংযম এবং পবিত্রতা শিক্ষা গ্রহণ করা আবশ্যক ।
কেবল মাত্র সার্থ ত্যাগই হল আনন্দ ও সংতুষ্টির এক মাত্র সহজ পথ ।
সময় হল সর্ব শক্তিমান, তাই কখন সময় নষ্ঠ করো না ।
জড় বস্তূ গত সুখ সর্বদা খন স্থায়ী, কেবল ঈশ্বেরের প্রতি আত্মসমর্পণ এবং ভক্তিই হল অনন্ত সুখরে একমাত্র পথ ।
যা হয়েছে তা ভালই হয়েছে, যা হছে তা ভালই হছে, যা হবে তা ভালই হবে তাই ভবিষ্যতে কী হবে তাই নিয়ে ভেবে লাভ নেই বর্তমান নিয়ে পরম আনন্দে বাচতে শেখ ।
নিজের মন কে সর্বদা কর্মের উপর স্থির কর, কর্ম ফলের উপর নয় ।
লোভ ক্রোধ হিংসা হল মানুষের প্রধান শত্রু যা নিজের অজান্তে জীবনে সবচেয়ে বেশি মুলবান জিনিস সময়ের ক্ষতি করে, কারণ সময় হল পরম ক্ষমতাবান যা কারোর জন্য থেমে থাকে না ।
জীবনে অমরত্ব পেতে সন্মান অর্জন করতে শেখ , কারণ জীবন খন স্থায়ী কিন্তু ব্যক্তির অর্জিত সন্মান চিরস্থায়ী।
সর্বদা মনে রাখবে জীবনে যত কঠিন পরিস্থিতি মধ্যে দিয়ে যাবে তোমার ব্যক্তিত্ব ততই প্রখর হবে ।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাণীনিয়ে উক্তি সংক্রান্ত আমাদের আজকের এই পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে আশা করি ধর্মীয় বাণী সম্পর্কিত আমাদের পোস্টটি ও আপনাদের মনের মতন হবে।
শ্রীকৃষ্ণের বাণী সমূহ , Shree Krishna sayings in Bangla
প্রতিটি কর্মের আগে আমাদের কর্মের প্রতি সঠিক মনোভাব গড়ে তোলা অব্যশক তবে সেই কর্ম কে আনন্দের সাথে সম্পুর্ন করা সম্ভব ।
সঠিক উদ্দেশ্য নিয়ে সঠিক কাজ সম্পুর্ন করাই হল আমাদের জীবনের পরম সাফল্য।
বৈষয়িক জগৎ মানুষের কাছে প্রথমে আনন্দ ও সংতুষ্ঠী যেমন নিয়ে আসে ঠিক তেমনি সময়ের সাথে বহু দুঃখ কষ্ট বয়ে নিয়ে আসে। কারণ বৈষয়িক সম্পত্তি পাওয়ার চেয়ে তা হারিয়ে ফেলার ভয় ও উদ্বেগ মানুষের মধ্যে বহু গুণ বেশি।
বিবেক ও বুদ্ধি হল মানুষের পরম সম্পদ যা সঠিক সময় জীবনে সঠিক দিশা বেছে নিতে সাহায্য করে।
প্রজ্বলিত অগ্নি যেমন জ্বালানি কাঠ কে ছাইতে পরিণত করে ঠিক একি ভাবে আমাদের জ্ঞান আলো আমাদের মনের মধ্যে থাকা আত্ম অহংকার কে ছাইতে পরিণত করে।
যে ব্যক্তির মন তার শত্রু এবং বন্ধুদের মধ্যে সম্পুর্ন ভেদাভেদ হীন কেবল মাত্র তিনি পরম শান্তির অধিকারি ।
মানুষের মনের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকলে সেই স্থিতিতে মন কে বলা হয় আমাদের পরম বন্ধু ঠিক এই ভাবে মনের উপর যদি নিয়ন্ত্রণ না থাকে তবে সেই স্থিতিতে মন হয়ে ওঠে আমাদের পরম শত্রু।
স্ব-ধ্বংস এবং নরকের তিনটি দরজা রয়েছে: কাম, ক্রোধ ও লোভ
একজন মানুষ তার বিশ্বাস দ্বারা তৈরি হয়। যেমন সে বিশ্বাস করে, তাই সে হয়ে যায়।
আনন্দের মূল চাবিকাঠি হ’ল ইচ্ছা হ্রাস।
আপনাকে যা কিছু করতে হবে তা করুন, কিন্তু অহং দিয়ে নয়, কামনা দিয়ে নয়, হিংসা দিয়ে নয় বরং প্রেম, করুণা, নম্রতা এবং নিষ্ঠার সাথে।
যিনি তার মন জয় করেছেন, তার পক্ষে মন সেরা বন্ধু, তবে যার পক্ষে এটি করতে ব্যর্থ হয়েছে তার পক্ষে মনই সর্বশ্রেষ্ঠ শত্রু।
সুখ একটি মনের অবস্থা, যার বাহ্যিক বিশ্বের সাথে কোনও সম্পর্ক নেই
আপনি অযথা চিন্তা করবেন কেন? কাকে ভয় করো? কে তোমাকে হত্যা করতে পারে? আত্মা না জন্মে না মরেও যায়।
যা ঘটেছিল তা ভালই ছিল। যা ঘটছে তা ভাল চলছে। যা ঘটবে তাও ভাল হবে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করবেন না। বর্তমানে বাস করা ।
আপনার কাজ আপনার মন সেট করুন কিন্তু এর পুরষ্কার কখনও।
আপনি আমাকে জয় করতে পারবেন কেবলমাত্র প্রেমের মাধ্যমে এবং সেখানে আমি আনন্দের সাথে জয়লাভ করেছি।
যখন কোনও ব্যক্তি অন্যের আনন্দ ও দুঃখের প্রতিক্রিয়া দেখায় যেন সে তার নিজের, তবে সে বা সে সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক মিলিত হয়েছে”
সকল ধরণের খুনিদের মধ্যে সময়ই চূড়ান্ত কারণ সময় সবকিছুই মেরে ফেলে।
শান্ততা, নম্রতা, নীরবতা, আত্ম-সংযম এবং বিশুদ্ধতা: এগুলি মনের অনুশাসন।
আপনার বাধ্যবাধকতা সম্পাদন করুন, কারণ কার্যত নিষ্ক্রিয়তার চেয়ে কার্যত ভাল।
মন চঞ্চল হয়। যখনই মন দুর্ব্যবহার করে তখন এটি আপনার কথা মানবে না, আপনার বিচক্ষণ বুদ্ধিকে এটিকে সমান অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে ব্যবহার করুন
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাণীনিয়ে উক্তি সংক্রান্ত আমাদের আজকের এই পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে আশা করি পূজা নিয়ে উক্তি সম্পর্কিত আমাদের পোস্টটি ও আপনাদের মনের মতন হবে।
“রাধা এবং কৃষ্ণের প্রেম একটি চিরন্তন গল্প। তাদের প্রেম শুধু দেহের নয়, আত্মার মিলন। রাধার প্রতি কৃষ্ণের ভালোবাসা এবং কৃষ্ণের প্রতি রাধার ত্যাগ আমাদের শেখায় প্রকৃত ভালোবাসার মানে।”
“কৃষ্ণের বাঁশির সুরে রাধার হৃদয় যেভাবে আন্দোলিত হয়, ঠিক সেভাবেই প্রকৃত প্রেমের গভীরতা অনুভব করা যায়। রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের রূপ আমাদের জীবনের প্রতিটি প্রেমের গল্পের প্রেরণা।”
“রাধা-কৃষ্ণের প্রেম কখনোই পৃথিবীর মোহের সঙ্গে আবদ্ধ নয়। এটি আধ্যাত্মিক, পবিত্র, এবং চিরন্তন, যা যুগ যুগ ধরে প্রেমের প্রকৃত রূপকে প্রতিফলিত করে।”
“প্রেমের অপর নাম রাধা-কৃষ্ণ। তারা দেখিয়েছেন কিভাবে আত্মার সাথে আত্মার সংযোগ সৃষ্টি হয়। দেহগত দূরত্ব কখনোই তাদের প্রেমকে আলাদা করতে পারেনি।”
“রাধা-কৃষ্ণের প্রেম আমাদের শেখায় যে প্রকৃত ভালোবাসা মানে ত্যাগ, সমর্পণ এবং হৃদয়ের গভীর অনুভূতি। এই প্রেম কখনোই একতরফা নয়, বরং এটি পারস্পরিক।”
“রাধা-কৃষ্ণের সম্পর্ক ছিল প্রেমের সর্বোচ্চ রূপ, যেখানে কোনও চাহিদা নেই, শুধু নিঃস্বার্থ ভালোবাসার বন্ধন। এই প্রেম চিরন্তন এবং অনুপ্রেরণার উৎস।”
“রাধা এবং কৃষ্ণের প্রেমের গল্প যুগ যুগ ধরে মানবজাতিকে শেখায় যে প্রকৃত প্রেমের জন্য কোনও শর্ত বা সীমার প্রয়োজন নেই। এটি হৃদয়ের পূর্ণতা ও আত্মার মিলন।”
“কৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘রাধা ছাড়া আমি অপূর্ণ।’ এই কথাটি বোঝায়, প্রকৃত প্রেম কখনো একতরফা হয় না, বরং এটি দু’জনের আত্মার মিলনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয়।”
“রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ছিল প্রতিটি দুঃখ ও কষ্টের মধ্যেও অপরিসীম সুখের উৎস। এই প্রেম আমাদের শেখায় কিভাবে আধ্যাত্মিক এবং মানসিকভাবে প্রেমকে উপলব্ধি করতে হয়।”
“রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের গল্প শুধুমাত্র একটি কাহিনী নয়, এটি প্রেমের আদর্শ। এটি আমাদের শেখায় যে প্রেম কখনোই জড় বস্তু নয়, এটি হলো আত্মার নিঃস্বার্থ অনুভূতি।”
“রাধা-কৃষ্ণের প্রেম আমাদের শেখায়, সত্যিকার ভালোবাসা মানে শুধুই একে অপরের আত্মার সংযোগ। তাদের প্রেম সময়ের সীমা ছাড়িয়ে আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে।”
“যেখানে হৃদয়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, সেখানে রাধা-কৃষ্ণের উপস্থিতি। তাদের সম্পর্ক আত্মা আর অনুভূতির এক সুন্দর মিলন।”
“রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের গভীরতা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে প্রকৃত ভালোবাসা কখনোই দেহ বা দূরত্বে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি চিরন্তন এবং পবিত্র।”
“রাধার ভালোবাসা কৃষ্ণের আত্মাকে স্পর্শ করেছে, আর কৃষ্ণের ভক্তি রাধার হৃদয় পূর্ণ করেছে। এটাই চিরন্তন প্রেমের পরিচয়।”
“রাধা-কৃষ্ণের প্রেম কেবল একটি কাহিনী নয়, এটি একটি আধ্যাত্মিক সম্পর্ক যা আমাদের প্রেমের প্রকৃত রূপ উপলব্ধি করায়।”
“প্রেমের আরেক নাম রাধা-কৃষ্ণ। তাদের ভালোবাসা শর্তহীন, যা শুধুমাত্র আত্মার পূর্ণতা খোঁজে।”
“রাধা এবং কৃষ্ণ আমাদের দেখিয়েছেন যে প্রকৃত প্রেম মানে ত্যাগ, ধৈর্য, এবং হৃদয়ের গভীরতায় এক হয়ে যাওয়া।”
“যে প্রেম কোনও শর্ত মানে না, যা নিঃস্বার্থ, সেটাই রাধা-কৃষ্ণের প্রেম। এটি পৃথিবীর সমস্ত ভালোবাসার চেয়ে অনন্য।”
“কৃষ্ণ বলতেন, ‘রাধা আমার হৃদয়ের আত্মা।’ এই বাক্যটি তাদের সম্পর্কের গভীরতা বোঝায়, যা কেবল প্রেম নয়, ভক্তির প্রতীক।”
“রাধা-কৃষ্ণের প্রেম চিরন্তন এবং অনুপ্রেরণার উৎস। এটি আমাদের শেখায় যে প্রকৃত ভালোবাসা মানে আত্মার নিঃস্বার্থ সংযোগ।”
শ্রীকৃষ্ণ কথা , Shree Krishna katha in Bengali
শ্রীকৃষ্ণ ছাড়া জীবন ভক্তিহীন প্রার্থনা, আবেগ ছাড়া শব্দ, সুগন্ধ ছাড়াই অনুগামী, অনুরণন ছাড়া প্রতিধ্বনি, লক্ষ্য ছাড়াই অস্তিত্ব, আত্মাবিহীন বিশ্ব
যে কেউ ভাল কাজ করে সে এখানে বা ভবিষ্যতে পৃথিবীতে খারাপ পরিণতি পাবে না।
সর্বাধিক ঐশ্বরিক ভালবাসা মা ও ছেলের প্রতি থাকে
যেদিন আমরা কৃষ্ণকে সম্পূর্ণরূপে আত্মসমর্পণ করব, তিনি আমাদের ভালবাসার প্রস্তাব গ্রহণ করবেন।
শুরুতে, কিছু ব্যর্থতা হতে পারে। এটা বেশ স্বাভাবিক। একটি শিশু যেমন দাঁড়াতে চাইছে তেমনি সে পড়ে যায়। তবে এর অর্থ এই নয় যে তার এই ধারণাটি ছেড়ে দেওয়া উচিত। এমন সময় আসবে যখন সে নিখুঁত হবে। এমন সময় আসবে যখন আপনি নিখুঁত হবেন; কৃষ্ণ সচেতন।
আপনার যা কিছু করতে হবে তা করুন, কিন্তু অহংকারের দ্বারা নয়, কামনা দিয়ে নয়, হিংসার দ্বারা নয় বরং প্রেম, করুণা, নম্রতা এবং নিষ্ঠার সাথে।
সুখ হ’ল মনের একটি অবস্থা যা বাইরের বিশ্বের সাথে কোনও সম্পর্ক রাখে না।
যা ঘটেছে তা ভাল ছিল। যা ঘটছে তা ভাল চলছে। যা ঘটবে তাও ভাল হবে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করবেন না। বর্তমানে বাস কর।
সুখের মূল চাবিকাঠি হ’ল ইচ্ছা হ্রাস।
যিনি তার মন জয় করেছেন, তার পক্ষে মন সর্বোত্তম বন্ধু, তবে যার পক্ষে এটি করতে ব্যর্থ হয়েছে তার পক্ষে মনই সর্বশ্রেষ্ঠ শত্রু।
সকল ধরণের খুনিদের মধ্যে সময়ই চূড়ান্ত কারণ ; সময় সবকিছুই খুন করে।
শান্ততা, নম্রতা, নীরবতা, আত্ম-সংযম এবং পবিত্রতা: এগুলি মনের শাখা।
আপনার বাধ্যতামূলক দায়িত্ব পালন করুন, কারণ কর্ম ব্যর্থতার চেয়ে সত্যই ভাল।
মন চঞ্চল হয়। এটি আপনার কথা মানবে না। যতবার মন খারাপ করে, আপনার বিচক্ষণ বুদ্ধি ব্যবহার করে এটিকে সমান অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে হবে ।
ভয় পাবেন না যা সত্য কখনই ছিল না এবং কখনই হবে না। যা সত্য, তা ই সর্বদা ছিল এবং তা ধ্বংস করা যায় না।
যার কাছে সুখ, দুঃখ, মান ও অপমান সবই সমান, সেই একমাত্র সিদ্ধপুরুষ
অতি গর্জনকারী মেঘ খুব কদাচিৎইবর্ষে, প্রকৃত বীর অকারনে বাক্যব্যায়করেনা।
দুঃখ বা দুর্দশায় একজন প্রকৃত বন্ধুর মত পরম সঙ্গী আর কেউ নেই অনুকম্পা,দয়া,ক্ষমাও মানবতার মত বড় গুন আর নেই।
উৎপন্ন হওয়া বস্তুর বিনাশ হওয়াই স্বাভাবিক, যে বস্তুর কোনো উৎপত্তি নেই তার কোনো বিনাশ নেই | আত্মা অবিনাশী এবং অমর হয় কিন্তু এই শরীরের বিনাশ অবসম্ভাবী
চন্দ্র তাঁর সৌন্দর্য হারাতে পারে,হিমবনবরফশুন্য হয়ে পড়তে পারে,সমুদ্র বিরান হয়েযেতে পারে কিন্তু রাম কখনো তারপ্রতিজ্ঞা হতে বিচ্যুত হয়না।
যে মানুষ ভাবে নিদ্রা, ভয়, চিন্তা, দুঃখ, অহংকার এরকমের আদি দোষ সর্বদা থাকবেই, সেই মানুষ প্রকৃত পক্ষে একজন কাপুরুষ।
শোকের চেয়ে বড় নাশকর্তা আর কিছুনেই, শোক মানুষের সব শক্তিকেই নষ্ট করেদেয়,তাই শোক করোনা।
সাধারণ মানুষ এই শরীরকে ব্যাপক হিসাবে ভাবে, সাধক পরমাত্মাকে ব্যাপক হিসাবে ভাবে | যেমন শরীর এবং সংসার এক, সেইরকমই স্বয়ং এবং পরমাত্মা একই
দুর্বলই কেবল ভাগ্যের দোষারোপ করে আরবীর ভাগ্যকে অর্জন করে।
অহংভাবই মানুষের মধ্যে বিভিন্নতা সৃষ্টি করে | অহংভাবের অভাব থাকলে পরমাত্মার সাথে বিভিন্নতার কোনো আর কারণই থাকেনা
জ্ঞানীর নিকট সত্য ই পরম ধর্ম।
যেটা ঘটতে চলেছে সেটা ঘটবেই, যা ঘটবে না তা কখনোই ঘটবে না এরকম নিশ্চয়তাপূর্ণ মনোভাব যার মধ্যে আছে; তাকে দুশ্চিন্তা কখনোই কষ্ট দিতে পারেনা
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাণীনিয়ে উক্তি সংক্রান্ত আমাদের আজকের এই পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে আশা করি ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের অমৃত বাণী সম্পর্কিত আমাদের পোস্টটি ও আপনাদের মনের মতন হবে।
রাধা কৃষ্ণের বাণী, Radha Krishna Quotes in Bengali
যার কাছে সুখ, দুঃখ, মান ও অপমান সবই সমান, সেই একমাত্র সিদ্ধপুরুষ
অতি গর্জনকারী মেঘ খুব কদাচিৎইবর্ষে, প্রকৃত বীর অকারনে বাক্যব্যায়করেনা।
কর্ম করে যাও কিন্তু ফলের চিন্তা করোনা
দুঃখ বা দুর্দশায় একজন প্রকৃত বন্ধুর মতপরম সঙ্গী আর কেউ নেই অনুকম্পা,দয়া,ক্ষমাও মানবতার মত বড় গুন আর নেই।
উৎপন্ন হওয়া বস্তুর বিনাশ হওয়াই স্বাভাবিক, যে বস্তুর কোনো উৎপত্তি নেই তার কোনো বিনাশ নেই | আত্মা অবিনাশী এবং অমর হয় কিন্তু এই শরীরের বিনাশ অবসম্ভাবী
চন্দ্র তাঁর সৌন্দর্য হারাতে পারে,হিমবনবরফশুন্য হয়ে পড়তে পারে,সমুদ্র বিরান হয়েযেতে পারে কিন্তু রাম কখনো তারপ্রতিজ্ঞা হতে বিচ্যুত হয়না।
যে মানুষ ভাবে নিদ্রা, ভয়, চিন্তা, দুঃখ, অহংকার এরকমের আদি দোষ সর্বদা থাকবেই, সেই মানুষ প্রকৃত পক্ষে একজন কাপুরুষ
শোকের চেয়ে বড় নাশকর্তা আর কিছুনেই, শোক মানুষের সব শক্তিকেই নষ্ট করেদেয়,তাই শোক করোনা।
সাধারণ মানুষ এই শরীরকে ব্যাপক হিসাবে ভাবে, সাধক পরমাত্মাকে ব্যাপক হিসাবে ভাবে | যেমন শরীর এবং সংসার এক, সেইরকমই স্বয়ং এবং পরমাত্মা একই
জ্ঞানীর নিকট সত্য ই পরম ধর্ম।
যেটা ঘটতে চলেছে সেটা ঘটবেই, যা ঘটবে না তা কখনোই ঘটবে না এরকম নিশ্চয়তাপূর্ণ মনোভাব যার মধ্যে আছে; তাকে দুশ্চিন্তা কখনোই কষ্ট দিতে পারেনা
সমুদ্র হােক বা সংসার যে ধর্মের নৌকা প্রস্তুত করে সে ঠিক পার হয়ে যায় ।
বাস্তবে না পরিচয় মানুষের দেহের সাথে যুক্ত থাকে না তাে সম্পর্কের ভিত্তি তার দেহের সাথে যুক্ত থাকে । মানুষের স্বভাব , তার আচরণ আর তার কার্যই তার পরিচয় ।
সজ্জন ব্যক্তি আরো ভালো চরিত্রের সজ্জন ব্যক্তির সাথে, নীচ ব্যক্তি আরো নীচ চরিত্রের ব্যক্তির সাথেই থাকতে চায় | স্বভাব দ্বারা জন্ম যার যেমন প্রকৃতি হয়, সে তার সেই প্রকৃতিকে কখনোই ছাড়েনা
যখন সংসারে দেখার মত কিছুই থাকে না , তখন মানুষ ঈশ্বর এর দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে ।
বাহ্যিক বস্তুর ত্যাগকে বাস্তবে ত্যাগ বলেনা, আন্তরিক ত্যাগই হচ্ছে প্রকৃত ত্যাগ | আমাদের কামনা, মমতা, আসক্তিই হচ্ছে বন্ধনযুক্ত কিন্তু সংসার তা নয়
যদি কোন ঘটনার মানুষ ভয়প্রাপ্ত হয় তবে তার পরাজয়ই হয় । আর যে মানুষ সব হারিয়েও শান্ত আর একাগ্র থাকে সেই জয়ী ।
এই সংসার প্রতিটা মূহুর্তে পরিবর্তন হচ্ছে, আর পরিবর্তনশীল বস্তু সর্বদা অসত্যই হয়
সময় কখনও কখনও মানুষের নির্দেশিত পথে চলে না, মানুষকে সময়ের নির্দেশিত পথে চলতে হয়।
সমুদ্র হোক বা সংসার যে ধর্মের নৌকা প্রস্তুত করে সে ঠিক পার হয়ে যায়।
বাস্তবে না পরিচয় মানুষের দেহের সাথে যুক্ত থাকে না তো সম্পর্কের ভিত্তি তার দেহের সাথে যুক্ত থাকে। মানুষের স্বভাব, তার আচরণ আর তার কার্যই তার পরিচয়।
যদি কোন ঘটনার মানুষ ভয়প্রাপ্ত হয় তবে তার পরাজয়ই হয়। আর জে মানুষ সব হারিয়েও শান্ত আর একাগ্র থাকে সেই জয়ী।
যখন সংসারে দেখার মত কিছুই থাকে না, তখন মানুষ ঈশ্বর এর দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে।
আত্মার জন্ম নেই , না কখনো মৃত্যু হয় । শরীর নষ্ট হয়ে গেলেও , আত্মা নষ্ট হয় না ।
শ্রী কৃষ্ণের প্রেমের বাণী (Radha Krishna Love Quotes in Bengali)
মানুষ প্রেম তাকেই দিতে পারে, যে তার প্রত্যাশা পুরন করতে পারে।
প্রেম উন্নতি দেয়,উচিৎ অনুচিতের জ্ঞান দেয়।
প্রেম আর মোহর মাঝে পার্থক্য থাকে-বাস্তবে যা প্রেম, তা কোন মোহ নয়।
প্রেমের জন্ম করুণা থেকে হয়আর মোহের জন্ম অহংকার থেকে।
প্রেম মুক্ত দেয়, মোহ আবদ্ধ করে।
প্রেম ধর্ম, আর মোহ অধর্ম।
প্রেমের শক্তি, শাস্তির শক্তির চেয়ে হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী এবং স্থায়ী।
সত্যিকারের ভালবাসার শেষ তারিখ নেই
প্রেম মানেই বিবাহ নয় বরং সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সাথে আত্মসমর্পণ করা।
যখন প্রেমের সাথে শ্রদ্ধার অনুভূতি যুক্ত হয়, তখন প্রেম ভক্তির সমানে পরিণত হয়।
প্রেম – যে অবহেলা ভোগ করে সে রাগ এবং প্রতিশোধের অনুভূতি থেকে মুক্ত হয়।
সর্বদা মনে রাখবেন এই পৃথিবীতে প্রেমের চেয়ে মধুর আর কিছু নেই
প্রেমের অর্থ কাউকে সন্ধান করা নয়, তবে এতে হারিয়ে যাওয়া।
ভালবাসা আত্মার সাথে হয়, দেহের সাথে নয়, যা দেহের সাথে থাকে তা কেবল আকর্ষণ, যা আত্মার সাথে থাকে তা অনন্ত প্রেম।
যদি হৃদয়ে সত্যিকারের ভালবাসা থাকে তবে অপেক্ষা করার প্রতিটি মুহূর্ত আনন্দ দেয় ।
ভালবাসার প্রথম পর্যায় হ’ল বিভ্রান্তি যা আপনাকে আপনার ভালবাসার নিকটে নিয়ে আসে।
ওপরে উল্লিখিত ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শাশ্বতবাণী আপনাদের সকলের মনোগ্রাহী রয়েছে আশা করা যায়। শ্রীকৃষ্ণের প্রতিটি বাণীর মধ্যে যে নিগূঢ় বক্তব্য লুকিয়ে রয়েছে তা অনুসরণ করলে প্রত্যেক মানুষের জীবন সর্বাঙ্গসুন্দর হয়ে উঠবে সে বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই ।