কিশোর কুমার এর জীবনী, Best biography of Kishore Kumar in Bengali



ভারতীয় সিনেমা জগতের একজন বিশিষ্ট গীতিকার, গায়ক, সঙ্গীত পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, অভিনেতা, পরিচালক এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক হলেন কিশোর কুমার। সঙ্গীত জগতের অন্যতম স্বীকৃত এই কণ্ঠশিল্পী, নিজের ব্যক্তিগত জীবনে মানসিক অস্থিরতা থাকার কারণে বহু সংগ্রাম করেছিলেন।

কিশোর কুমার এর জীবনী

তবে তিনি নিজের প্রতিভার মাধ্যমে দর্শকদের মনে আলাদাভাবে জায়গা করে নিয়েছিলেন। কিশোর কুমার জীবদ্দশায় হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের একজন সফল প্লেব্যাক গায়ক ছিলেন, তবে হিন্দি ছবির পাশাপাশি তিনি বাংলা, মারাঠি, গুজরাটি, ভোজপুরি, কন্নড়, আসাম, মালায়লাম, ওড়িয়া এবং উর্দু সহ আরো ভিন্ন কিছু ভাষায় গান গেয়েছিলেন।

গানের জন্য পুরস্কারও পেয়েছেন অনেক। আজ এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা এই বিশিষ্ট শিল্পীর জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

কিশোর কুমারের জন্ম ও পরিবার, Birth and Family of Kishore Kumar

১৯২৯ সালের ৪ ঠা আগস্ট কিশোর কুমারের জন্ম হয়। তিনি মধ্যপ্রদেশের খান্ডোয়া নামক একটি ছোট শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি এক বাঙালি পরিবারের সদস্য ছিলেন। জন্মের পর তাঁর নাম রাখা হয়েছিল আভাস কুমার গাঙ্গুলী। কিশোর কুমারের বাবার নাম ছিল কেলাল গঙ্গোপাধ্যায়, যিনি পেশাগতভাবে ছিলেন একজন আইনজীবী এবং মায়ের নাম গৌরী দেবী। 

কিশোর কুমারের দুই জন ভাই এবং একটি বোন ছিল।  ভাইদের নাম হল অশোক কুমার এবং অনুপ কুমার; অন্যদিকে বোনের নাম সতী দেবী। চারজন ভাই বোনের মধ্যে কিশোরই ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। বড় ভাই অশোক কুমার বেশ কিছু হিন্দি ছবিতে কাজ করেছিলেন। অশোক কুমারের সহায়তায় ওপর ভ্রাতা অনুপ কুমারও কিছু বলিউড চলচ্চিত্রে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। নিজের ভাইদের সঙ্গে সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে কিশোর কুমারও চলচ্চিত্র এবং সঙ্গীতের দিকে আগ্রহী হয়ে পড়েছিলেন।   

কিশোর কুমারের জন্ম ও পরিবার

বাংলা সাহিত্যে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, Best Biography of Tarashankar Bandyopadhyay in Bengali

শিল্পীর শিক্ষাজীবন, Education

বিখ্যাত শিল্পী কিশোর কুমার প্রাথমিক শিক্ষা শেষে ইন্দোরে অবস্থিত ক্রিশ্চিয়ান কলেজে পড়াশুনা করেছিলেন এবং সেখান থেকেই তিনি স্নাতক অর্জন করেন।

কিশোর কুমারের ক্যারিয়ারের শুরু, Starting point of career

কোনোও ধরনের প্রথাগত প্রশিক্ষণ না নিয়েই চলচ্চিত্র দুনিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন কিশোর কুমার। চলচ্চিত্র জগতে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা অশোক কুমারের প্রভাবই ছিল এর মূল কারণ। দুই ভাইয়ের বয়সের মধ্যে ১৮ বছরের তফাৎ ছিল, যার মাধ্যমে কিশোর বেশ উপকৃত হয়েছিলেন। অনেক কম বয়সেই তিনি চলচ্চিত্রে নিজের জায়গা করতে পেরেছিলেন এবং অন্যদিকে বোম্বে টকিজের কোরাস গায়কও হয়ে উঠেছিলেন কিশোর কুমার। এক কথায় এই সুখ্যাত শিল্পীর ক্যারিয়ার শুরুর দিকে বড় ভাইয়ের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

কিশোর কুমারের ক্যারিয়ারের শুরু

প্ৰখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মান্না দে -র জীবনী, Best Biography of Manna Dey in Bengali

প্রথম ছবি এবং গান, First picture and song

কিশোর কুমার প্রথম অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন ১৯৪৬ সালে, ‘শিকারী’ নামক চলচ্চিত্রে। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৭ বছর ছিল। অন্যদিকে গায়ক হিসাবে, ১৯৪৮ সালে, জিদ্দি ছবিতে একটি গান গেয়েছিলেন তিনি, ” মারনে কি দুয়ান কিয়ুন মাঙ্গু…..”।

১৯৪৯ সালের দিকে, কিশোর কুমারের চলচ্চিত্র শিল্প বেশ দৃঢ় হয়। এরপরে কিছু বছর অর্থাৎ, ১৯৫১ সালে আন্দোলন ছবিতে, ১৯৫৪ সালে চাকরি ছবি এবং ১৯৫৭ সালে মুসাফির নামক চলচ্চিত্রে তিনি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান।

তবে কিশোর কুমারের মধ্যে থাকা অভ্যন্তরীণ প্রতিভা, মশাল চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গান গাওয়ার সময় শচীন দেব বর্মন দুর্দান্তভাবে উপলব্ধি করেছিলেন, পরবর্তীতে কিশোর ১৯৫৪ সালে মুনিজি এবং ১৯৫৭ সালে ‘নৌ দো ইলেভেন’ এর মতো বেশ কিছু চলচ্চিত্রের নেপথ্যে গান গেয়েছিলেন। কিশোর কুমার কে.এল সেহগালের অনুরাগী ছিলেন, তিনি সেহগালকে নিজের পরামর্শদাতা হিসেবেও বিবেচনা করতেন এবং প্রথমদিকে তাঁর গানের ধরণকেই বেশি অনুসরণ করতেন।

প্রথম ছবি এবং গান

কমেডি ছবিতে অভিনয়, Acting in comedy films

বিভিন্ন চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ক্ষেত্রে কিশোর কুমারের কমেডি চরিত্রের জন্য দর্শকরা তাঁকে বেশি পছন্দ করেছিলেন। সেই ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ১৯৫৮ সালের ‘আশা’, ১৯৫৮ সালের ‘ চলতি কা নাম গাড়ি’ , ১৯৬২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হাফ টিকেট’ এবং ১৯৬৮ সালের জনপ্রিয় সিনেমা ‘ পডোসান ‘।

কমেডি ছবিতে অভিনয়

কথা সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, Best Biography of Bibhutibhushan Bandyopadhyay in Bengali

নির্দেশক রূপে কিশোর কুমারের কর্মজীবন, Kishore Kumar’s career as a director

কিশোর কুমার চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজে অংশগ্রহণ করেন ১৯৬০ সালের দিকে। ১৯৬১ সালে ‘ঝুমরু’ চলচ্চিত্রে পরিচালক হিসেবে, তথা প্রযোজক, গীতিকার এবং সুরকার হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। এমনকি নিজেও উক্ত ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। এছাড়া ১৯৭১ সালে ‘দূর কা রাহি’, ১৯৮০ সালে ‘দূর ভাদি মে কাহিন’ প্রমুখ চলচ্চিত্রে কিশোর কুমার প্রযোজনা এবং পরিচালনার কাজ করেছিলেন।

কিশোর কুমারের দাম্পত্য জীবন, Married Life

স্বনামধন্য এই গায়কের বিবাহিত জীবন তেমন সুখের ছিল না। তিনি মোট চারবার বিবাহ করেছিলেন। কিশোর কুমার প্রথমে ১৯৫০ সালে রুমা গুহাঠাকুরতাকে বিয়ে করেন। রুমা ছিলেন সত‍্যজিৎ রায়ের ভাইজি, একজন অভিনেত্রী, গায়িকা তথা সমাজকর্মী। এই দম্পতির ঘরে এক সন্তানের জন্ম হয়, যার নাম অমিত কুমার।

কিশোর কুমারের দাম্পত্য জীবন

ছেলের জন্মের পর কিশোর কুমার চেয়েছিলেন রুমা যেন কাজ ছেড়ে দিয়ে ছেলেকে নিয়ে বাড়িতেই থাকে। কিন্তু স্ত্রী এই সিদ্ধান্তটিকে মেনে নেন নি বলে তাদের বিয়ে আর বেশিদিন টেকেনি। মাত্র ৮ বছরের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল তাদের মধ্যে। 

১৯৬০ সালে কিশোর কুমার মধুবালাকে বিয়ে করেন। কিন্তু সেই বিয়েও বেশিদিন টেকেনি। মাত্র ৯ বছরেই সীমাবদ্ধ ছিল তাদের দাম্পত্য জীবন। বিয়ের একমাস পরেই মধুবালা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর হৃৎপিন্ডে জন্মগত ছিদ্র থাকার কারণে তিনি বেশিদিন জীবিত থাকবেন না বলে জানিয়ে দেন চিকিৎসকরা।

মাত্র ৩৬ বছর বয়সে মধুবালার মৃত্যু হয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় যে, মধুবালাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে কিশোর কুমার ঈসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং নিজের নাম বদলে দিয়ে করিম আবদুল নাম গ্রহণ করেছিলেন। মধুবালার মৃত‍্যু হওয়ার পর ১৯৬০ সালে যোগীতা বালিকে বিয়ে করেন কিশোর কুমার। এই বিবাহ মাত্র তিন বছর স্থায়ী হয়, কারণ যোগিতা ছিলেন অভিনেত্রী এবং বিয়ের দু’ বছর পরই ‘খোয়াব ‘ চলচ্চিত্রের সময় মিঠুন-যোগীতার আলাপ হয়। এরপর থেকেই কিশোর কুমারের থেকে দূরে সরে যান যোগীতা।

এরপর লীনা চন্দাভারকারের সাথে কিশোর কুমারের আলাপ হয়। লীনা প্রথমে এই বিয়ে করতে চাননি, কারণ কিশোর ছিলেন লীনার থেকে ২১ বছরের বড়, তাছাড়া কিশোরের আগেও তিনবার বিয়ে হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পরিবারের সকলের সম্মতি থাকায় ১৯৮০ সালে তাদের বিয়ে হয়, পরবর্তীতে তাদের এক সন্তানের জন্ম হয়, যার নাম রাখা হয় সুমিত কুমার।

অমিত কুমার।

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের জীবনী, Best Biography of Hemant Mukherjee in Bengali

শিল্পীর জনপ্ৰিয় কিছু গান, Some popular songs of the artist

১৯৬০ এর দশকটি কিশোর কুমারের জন্য ছিল একটি মিশ্র সময়। উক্ত দশকে তাঁর বহু গান জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। ১৯৬৫ সালের গাইড ছবির ‘গাতা রাহে মেরা দিল’, ১৯৬৭ সালের জুয়েল থিফের ‘ইয়ে দিল না হোতা বেচারা’ এবং ১৯৬৯ সালের আরাধনা চলচ্চিত্রের ‘রূপ তেরা মাস্তানা’ প্রমুখ গানগুলো কিশোর কুমারকে বহুল খ্যাতি এনে দেয়। কিশোর কুমার নিজের গানের ক্যারিয়ারে সর্বমোট ২,৭০৩ টি গান গেয়েছিলেন, যার মধ্যে ১১৮৮ টি গান ছিল হিন্দি চলচ্চিত্রে, ১৫৬ টি বাংলা গান এবং ৮ টি গান তেলুগু ভাষায় গেয়েছিলেন।

কিশোর কুমারের কিছু জনপ্ৰিয় বাংলা গান, Some popular Bengali songs by Kishore Kumar

● এইতো জীবন

● নীল নীল আকাশে 

● একদিন পাখি উড়ে

● আশা ছিল ভালোবাসা ছিল

● আজ এই দিনটাকে 

● চিরদিনই তুমি যে আমার

● তোমরা যতই আঘাত কর 

● সে যেন আমার পাশে

● জানি যেখানেই থাকো

● আমার পূজার ফুল

● কি আশায় বাঁধি খেলাঘর

● আধো আলো ছায়াতে

● প্রেম বড়ো মধুর

কিশোর কুমারের কিছু জনপ্ৰিয় বাংলা গান

কিশোর কুমারের জনপ্ৰিয় কিছু হিন্দি গান :

● রূপ তেরা মাস্তানা 

● আগার তুম না হোতে

● জিন্দেগী এক সফর

● মেরে দিল মে আজ

● ও মাঝি রে

● ওম শান্তি ওম

● ও সাথী রে

● দে দে প্যায়ার দে

● মেরা জীবন কোরা কাগজ

● চিঙ্গারি কোয়ি ভড়কে

● খাইকে পান বানারাস ওয়ালা

যীশু খ্রীষ্ট জীবনী, Best biography of Jesus Christ in Bengali

কিশোর কুমার এর পুরস্কার প্রাপ্তি, Awards and Recognition

কিশোর কুমার একজন সেরা প্লেব্যাক গায়ক হিসাবে 8 টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জয় করেছিলেন এবং তাঁর সময়ে তিনি সবচেয়ে বেশি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জয়ের রেকর্ডও তৈরি করেছিলেন। এটি ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম অর্জন। তাছাড়াও কিশোর কুমার মধ্যপ্রদেশ সরকার থেকে ১৯৮৫-৮৬ সালে লতা মঙ্গেশকর পুরস্কার দ্বারা ভূষিত হয়েছিলেন। ১৯৯৭ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ‘কিশোর কুমার পুরস্কার’ নামক একটি পুরস্কার চালু করেছিল।

ফিল্মফেয়ার পুরস্কার 

● ১৯৭০ –  “রূপ তেরা মস্তানা”

● ১৯৭৬ –  “দিল এইসা কিসিনে মেরা ” 

● ১৯৭৯ – “খাইকে পান বানারাস ওয়ালা”

● ১৯৮১ – “হাজার রাহে মুরকে দেখে”

● ১৯৮৩ – “পাগ ঘুঙ্গরু বন্ধ” –

● ১৯৮৪ – “আগর তুম না হতে “

● ১৯৮৫ –  “মঞ্জিলে আপনি জাগাহ হে”

● ১৯৮৬ – “সাগর কিনারে “

বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি থেকে পুরস্কার বিজয়

● ১৯৭১ – শ্রেষ্ঠ পুরুষ নেপথ্য গায়ক, আরাধনা

● ১৯৭২ – শ্রেষ্ঠ পুরুষ নেপথ্য গায়ক, আন্দাজ

● ১৯৭৩ – শ্রেষ্ঠ পুরুষ নেপথ্য গায়ক, হরে রাম হরে কৃষ্ণ

● ১৯৭৫ – শ্রেষ্ঠ পুরুষ নেপথ্য গায়ক, কোরা কাগজ

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী শিল্পীর জীবনাবসান, Death of Kishore Kumar 

কিশোর কুমার ১৯৮৬ সালে প্রথম হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন, এর পর থেকে তিনি গানের রেকর্ড কম করতে শুরু করেন। অসুস্থতার পর থেকে তিনি নিজ জন্মস্থান খান্ডোয়াতে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন, কিন্তু সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করার পূর্বেই তিনি আবার দ্বিতীয় হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে পড়েন, এর প্রভাবেই ১৩ অক্টোবর ১৯৮৭ সালে কিশোর কুমারের জীবনবসান ঘটে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৫৮ বছর তাঁর মৃতদেহকে তাঁর জন্মস্থান খান্ডোয়ায় নিয়ে দাহ করা হয়েছিল।

উপসংহার, Conclusion

কিশোর কুমারের খ্যাতির দিক থেকে তাঁকে সাধারণত গায়ক হিসাবে দেখা হয়, তবে তিনি একসময় হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের এক গুরুত্বপূর্ণ অভিনেতা হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। অভিনেতা হিসেবেও তিনি যথেষ্ট সুনাম তথা মর্যাদার অধিকারী হয়েছিলেন। কিন্তু সুদক্ষ অভিনেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি অভিনয় করা খুব একটা পছন্দ করতেন না। তাঁর টান ছিল সঙ্গীতের প্রতি। তিনি নিজের গানগুলোর মধ্য দিয়ে আমাদের মনে সর্বদাই অমর হয়ে আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।

Frequently asked questions  : 

কিশোর কুমার কে ?

একজন ভারতীয় গায়ক ।

কিশোর কুমার এর জন্ম কবে হয় ?

৪ আগস্ট ১৯২৯ সালে ।

কিশোর কুমার এর আসল নাম কী ?

আভাস কুমার গঙ্গোপাধ্যায় ।

কিশোর কুমার এর সন্তানের নাম কী 

অমিত কুমার ও সমিত কুমার ।

কিশোর কুমার এর কর্মজীবন কবে শুরু হয় ?

১৯৪৬ সালে ।

কিশোর কুমার এর জন্ম কোথায় হয় ?

মধ্যপ্রদেশে 

কিশোর কুমার কত সালে কিশোর কুমার পুরস্কার চালু হয় ?

১৯৯৭ সালে ।

কিশোর কুমার কবে মারা যান ?

১৩ অক্টোবর ১৯৮৭ সালে ।

Recent Posts