আর টি ই (RTE) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, Details about RTE in Bengali language


আর টি ই (RTE) র পূর্ণাঙ্গ রূপটি হল রাইট টু এডুকেশন অ্যাক্ট (শিশুদের জন্য বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইন ২০০৯)। এই আইনটি ১লা এপ্রিল ২০১০ থেকে জম্বু ও কাশ্মীর ছাড়া ভারতের সমস্ত রাজ্যে ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চালু করা হয়েছে।ভারতের সংসদ অনুসৃত এই বিশেষ আইনটি শিক্ষাক্ষেত্রে ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে থাকা সকল শিশুরই মৌলিক অধিকার হিসেবে পরিগণিত। এই আইনের নিয়মানুসারে ছয় থেকে চৌদ্দ বছরের মধ্যে থাকা শিশুরা বিনা-মূল্যে শিক্ষা লাভের অধিকারের আওতায় পড়ে যা ৮৬তম সংবিধান সংশোধনী আইন অনুযায়ী সংবিধানের ২১ক অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে। ভারতের সংবিধানে এই বিধানটি ভারতবর্ষের শিশুদের আরও অধিক পরিমাণে কর্মসংস্থানমুখী,স্বাবলম্বী এবং আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার ক্ষমতা প্রদান করে থাকে।

আর টি ই (RTE) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

আর টি ই আইনের প্রণয়নে ভারতবর্ষ, India in enactment of RTE Act

শিক্ষা হল প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার । সেই নীতি মেনে এবং এক সঠিক শিক্ষার পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য ১৩৫ টি দেশের মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠে ভারত। ২০০৯ সালের ২৬ শে আগস্ট শিক্ষাসংক্রান্ত এই বিলটি পাশ করা হয়,আর এই আইনটি কার্যকর হয় ২০১০ সালের ১ লা এপ্রিল থেকে।

আর টি ই আইনের প্রণয়নে ভারতবর্ষ

কম্পিউটারের ইতিহাস ~ History of Computer in Bengali

আর টি ই বা শিক্ষার অধিকার আইনের মূল বৈশিষ্ট্যগুলি, Key Features of RTE or Right to Education Act

এই আইন অনুযায়ী
• ৬ বছর থেকে ১৪ বছর বয়সের সমস্ত শিশু প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষা বা বুনিয়াদী শিক্ষা পাবার পূর্ণ অধিকারী। এ ক্ষেত্রে কোনো শিশুর কাছ থেকে কোনো অর্থ কেউ দাবী করতে পারবেন না, যা দিতে না পারায় শিশুটির বুনিয়াদী শিক্ষা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

• অন্যান্য আর পাঁচজন শিশুর মতোই শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী শিশুরাও সমভাবে বিনামূল্যে বুনিয়াদী শিক্ষা লাভ করতে পারবে।

• শিশুটির পরিবারের কাছ থেকে বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ক্যাপিটেশন ফি অর্থাৎ বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য অনুদান গ্রহণ করা যাবে না। এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে ।

* কোনো শিশুর বুনিয়াদি শিক্ষা সম্পূর্ণ না হলে তাকে ফেল করানো, বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা বা কোনও বোর্ডের পরীক্ষায় পাস করতে বাধ্য করা যাবে না।

*যদি ৬ বছরের বেশি বয়সের কোনও শিশুর কোনো কারণবশত বুনিয়াদি শিক্ষা সম্পূর্ণ না হয়ে থাকে, তা হলে তাকে তার বয়সের উপযোগী শ্রেণিতে ভর্তি করাতে হবে আর সেই জন্য নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রত্যেকটি শিশু যারা বুনিয়াদি শিক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে তারা বুনিয়াদি শিক্ষা সম্পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা পাবে, এমনকী তাদের বয়স যদি ১৪ বছর পেরিয়ে ও যায় তা হলেও সেই সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত হবে না ।

• শিক্ষার এই আইন অনুযায়ী কোনো বিদ্যালয়ে কোন শিশুকেই শারীরিক ভাবে শাস্তি দেওয়া যাবে না অথবা তার ওপর মানসিক অত্যাচার করা চলবে না।

• কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, নবোদয় বিদ্যালয় ও সৈনিক বিদ্যালয় ব্যতিরেকে সরকার কর্তৃক স্থাপিত ও পরিচালিত সমস্ত বিদ্যালয়ে ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সের সমস্ত শিশুরা বিনামূল্যে বুনিয়াদী শিক্ষা লাভ করতে পারবে ।

আর টি ই বা শিক্ষার অধিকার আইনের মূল বৈশিষ্ট্যগুলি

• সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত যে বিদ্যালয়গুলি আছে তারা তাদের প্রাপ্ত সরকারী সাহায্যের পরিমাণের অনুপাতে মোট ছাত্রসংখ্যার ২৫ শতাংশকে বিনামূল্যে বুনিয়াদী শিক্ষা দিতে বাধ্য থাকবে। সরকার থেকে প্রাপ্ত সাহায্যের পরিমাণ যাই হোক না কেন, ঐ সমস্ত বিদ্যালয়গুলি উপরিউক্ত নির্দিষ্ট সংখ্যক ছাত্রছাত্রী দের বিনামূল্যে বুনিয়াদী শিক্ষা দিতে বাধ্য ।

• বেসরকারী বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও কিছু বাধ্যতামূলক আইন জারি আছে যেমন ,যেসব বেসরকারি বিদ্যালয় কোনরকম সরকারী সাহায্য পায় না, তারা প্রত্যেক বছর প্রতি শ্রেণিতে মোট যে পরিমাণ ছাত্রছাত্রী ভর্তি করবে, তার মধ্যে ন্যূনতম ২৫ শতাংশ ছাত্রছাত্রী ভর্তি নেবে সমাজের দুর্বলতর বা পিছিয়ে পড়া শ্রেণি থেকে এবং ঐ ছাত্রছাত্রীদের অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল কর্তৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে কোনো মূল্য না নিয়েই শিক্ষা দেবে। উল্লিখিত ২৫ শতাংশ ছাত্রছাত্রীর সকলকে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রতিবেশি এলাকার অন্তর্ভুক্ত হতে হবে । সেই ক্ষেত্রে সরকার যে পরিমাণ অর্থ সরকারী বিদ্যালয়গুলোকে দিয়ে থাকে ঠিক সেই পরিমাণ অর্থ দুর্বলতর এবং পিছিয়ে পড়া শ্রেণি থেকে আসা প্রতিটি ছাত্রছাত্রী, যারা ঐ বেসরকারী বিদ্যালয়ে বুনিয়াদী শিক্ষা লাভ করবে তাদের কে ও প্রতি বছর প্রদান করবে ।

• শিক্ষাক্ষেত্রে এই আইন চালু হবার তিন বছরের মধ্যে রাজ্য অথবা স্থানীয় সরকার প্রতিটি জনবসতির এক কিলোমিটারের মধ্যে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তিন কিলোমিটারে মধ্যে একটি করে উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করবে যদি সেই এলাকায় তা স্থাপন করা হয়ে না থেকে থাকে।

• এই আইন লাগু হবার ছয় মাসের মধ্যে রাজ্য বা স্থানীয় সরকার সব কটি বিদ্যালয়ে ছাত্র শিক্ষক অনুপাত ৩০ : ১ করবে যার অর্থ হল সমস্ত বিদ্যালয়ে ৩০ জন ছাত্রছাত্রী পিছু একজন করে শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে উপস্থিত থাকতে হবে ।

• নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে রাজ্য সরকার প্রতিটি এলাকায় বিদ্যালয়ের ব্যবস্থা করবে এবং তার সাথে প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো, শিক্ষক- শিক্ষিকা এবং পড়াশুনোর সামগ্রীর উপযুক্ত ব্যবস্থা করবে। এ ছাড়াও শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে এবং সমস্ত ভার নেবে রাজ্য সরকার।

বিদ্যালয়ে ৩০ জন ছাত্রছাত্রী পিছু একজন করে শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে উপস্থিত থাকতে হবে

• এই আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োগের জন্য যে প্রয়োজনীয় অর্থের দরকার তা যৌথভাবে পালন করবে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার। এই দুই সরকার নিজের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে ও স্থির করবে যে মোট প্রয়োজনীয় অর্থের ঠিক কত অংশ কেন্দ্রীয় সরকার প্রদান করবে আর কত অংশ রাজ্য সরকার বিনিয়োগ করবে।

• বেসরকারী বিদ্যালয় কে বাদ দিয়ে প্রত্যেক টি সরকারি বিদ্যালয়কে “বিদ্যালয় পরিচালন কমিটি ‘গঠন করতে হবে।উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষক, এলাকার কাউন্সিলর বা পঞ্চায়েত সদস্য পদটি সামলাবেন এবং সেই বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীর অভিভাবক বিদ্যালয় কমিটির সদস্য হবেন। এছাড়াও আইনে নির্দেশ করা আছে পরিচালন সমিতির সদস্যদের অন্তত অর্ধেক মহিলা সদস্য হবেন এবং অন্তত ৭৫ শতাংশ সদস্য হবেন ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবক গণ।

• প্রতিটি বিদ্যালয়ে যে পরিচালনা কমিটি থাকবে তা বিদ্যালয়ের উন্নয়ন সম্পর্কে পরিকল্পনা তৈরি করবে এবং সেই উন্নয়ন পরিকল্পনার ভিত্তিতেই রাজ্য সরকার এবং স্থানীয় সরকার উক্ত বিদ্যালয়ের উন্নয়নের অর্থ বরাদ্দ করবে।

• প্রত্যেক শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিয়মিত এবং সময় মত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকা বাঞ্ছনীয় । তাঁদের সময়মত নির্দিষ্ট পাঠক্রম পড়ানো শেষ করা ও একান্ত কর্তব্যের মধ্যে পড়ে । এ ছাড়াও ছাত্রছাত্রীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শিক্ষায় উন্নতি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করতে হবে।কোন শিক্ষক- শিক্ষিকা প্রাইভেট টিউশন বা ব্যক্তিগতভাবে ছাত্রছাত্রীদের অধ্যায়ন করাতে পারবেন না।

*যে শিশু বুনিয়াদি শিক্ষা সম্পন্ন করে থাকবেন তাকে শংসাপত্র দিতে হবে।

*প্রতিটি বিদ্যালয়কে অবশ্যম্ভাবীভাবে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে এবং ছেলে ও মেয়েদের জন্য পৃথক শৌচালয়ের ব্যবস্থা রাখা এক অবশ্য পালনীয় কর্তব্য ।

• সবশেষে বলা যায় যে বাধ্যতামূলক বুনিয়াদী শিক্ষা প্রত্যেকটি শিশুর মৌলিক অধিকার ,তাই এর সঠিক প্রয়োগ না হলে বা অপপ্রয়োগ হলে হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে সরাসরি জনস্বার্থ মামলা করা যেতে পারে।

বুনিয়াদী শিক্ষা প্রত্যেকটি শিশুর মৌলিক অধিকার

বাংলাদেশ সম্পর্কে ৩০ টি অজানা তথ্য ~ Bangladesh Facts and History in Bengali

আর টি ই(RTE) আইনের আওতায় ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা, Eligibility for admission under RTE Act

RTE আইনের আওতায় ভর্তি হওয়ার জন্য যে যোগ্যতার প্রয়োজন আছে তা নিয়ে আলোচনা করা হল :

**লোয়ার কেজি তে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর সর্বনিম্ন বয়স তার জন্ম সার্টিফিকেট দ্বারা নির্ধারিত করা হবে।

**যে সকল পরিবারের আয় বাৎসরিক সাড়ে তিন লক্ষ টাকা বা তার কম,তারা RTE আইনের অধীনে সংরক্ষিত আসনগুলির জন্য আবেদন করতে পারেন।

**অনাথ শিশু বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু বা অধিবাসী শ্রমিকদের শিশু অথবা পথ শ্রমিকদের শিশুরা RTE আইনের অধীনে ভর্তি হওয়ার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত।

আর টি ই(RTE) আইনের আওতায় ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা

আজব সব তথ্য বাংলা তে ~ 100 Mind-Blowing Facts in Bengali | সেরা বাংলা ফ্যাক্ট গুলি

সমালোচনা , Critical analysis

বাহ্যিকভাবে এই আইনে শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করা থাকলেও বেশ কিছু মৌলিক প্রশ্নে এই আইনটি শিক্ষাবিদ ও শিক্ষকদের মধ্যে অনেকের কাছে ভয়াবহ প্রতীত হয়েছে আর তার মধ্যে প্রথমেই আসে শিক্ষার গুণমানের বিষয়টি। যে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সেগুলি হল :

#এই আইনটির লক্ষ্য কেবলমাত্র বুনিয়াদী শিক্ষা।

#এর মাধ্যমে শুধুমাত্র সাক্ষরতা কর্মসূচীর দিকেই নজর দিতে চেয়েছে সরকার আর ফলস্বরূপ বুনিয়াদী সাক্ষরতা শিক্ষাতেই প্রধানত নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

#সাক্ষরতা কর্মসূচীর বাইরে প্রচলিত সাধারণ বা বৃত্তিমুখী শিক্ষা থেকে সরকার নিজের দায় সরিয়ে নিয়েছে বলে ও আইনটি সমালোচিত হয়েছে।

#এই আইনে পাশ ফেল প্রথা উঠে দেবার যে কথা বলা রয়েছে এবং নিজের পছন্দের স্কুলে লটারির মাধ্যমে ভর্তির যে ভাগ্যভিত্তিক পদ্ধতির কথা উল্লিখিত আছে , তাতে সরকারী বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থার মান নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছে ।

#সাক্ষরতা নিয়ে ভাবনাচিন্তা এবং সর্বশিক্ষার যে দায়িত্ব সরকারের বহু আগেই পালন করার কথা ছিল তার বহু বিলম্ব হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে ১৯৯৩ সালেই রায় দিয়ে দিয়েছিলেন । কিন্তু তা সঠিক সময়ে লাগু হয়নি। প্রকৃতপক্ষে সরকার সাক্ষরতা এবং সর্বশিক্ষা নিয়ে যে ব্যাপক প্রচার করছে তার আড়ালে সাধারণ শিক্ষার অঙ্গন থেকে নিজের দায়মুক্তির চেষ্টার দিকটি ক্রমশই সামনে আসছে বলে সমালোচিত হয়েছে বারেবার।

পরিশিষ্ট, Conclusion

শিক্ষা হল আধুনিক সমাজের ভিত্তিপ্রস্তর,আর সেই ভিত্টিকে মজবুত করার জন্য, আমাদের আগামী প্রজন্ম ,আমাদের শিশুদের শিক্ষিত করে তোলা একান্ত কর্তব্য ।শিশুদের বিনা বেতনে এবং আবশ্যিক শিক্ষা লাভের অধিকারের সঠিক প্রণয়ন ও রূপায়ন ভারতের সংবিধানে উল্লিখিত ‘শিক্ষার অধিকার’ কে যথার্থরূপে স্বার্থক করে তুলবে ।

শিক্ষা হল আধুনিক সমাজের ভিত্তিপ্রস্তর

Frequently Asked Questions

আর টি ই (RTE) র পূর্ণাঙ্গ রূপটি কি?

আর টি ই (RTE) র পূর্ণাঙ্গ রূপটি হল রাইট টু এডুকেশন অ্যাক্ট অর্থাৎ শিশুদের জন্য বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইন ,২০০৯।

আর টি ই (RTE) কবে থেকে চালু হয়েছিল ?

এই আইনটি ১লা এপ্রিল ২০১০ থেকে জম্বু ও কাশ্মীর ছাড়া ভারতের সমস্ত রাজ্যে ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চালু করা হয়েছে।

আর টি ই (RTE) আইনটির মূল বক্তব্য কি?

৬ বছর থেকে ১৪ বছর বয়সের সমস্ত শিশু প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যালয় শিক্ষা বা বুনিয়াদী শিক্ষা পাবার পূর্ণ অধিকারী। এটি হলো আইনটির মূল বৈশিষ্ট।

আর টি ই (RTE) আইনে ছাত্র -শিক্ষক অনুপাত কত ধার্য করা হয়েছে ?

ছাত্র শিক্ষক অনুপাত ৩০ : ১ হওয়া বাঞ্ছনীয় ;যার অর্থ হল সমস্ত বিদ্যালয়ে ৩০ জন ছাত্রছাত্রী পিছু একজন করে শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে উপস্থিত থাকতে হবে ।

আর টি ই (RTE) প্রণয়নের ক্ষেত্রে অর্থ বিনিয়োগের দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত ?

এই আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োগের এ জন্য যে প্রয়োজনীয় অর্থের দরকার তা যৌথভাবে পালন করবে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার।

Oindrila Banerjee

Oindrila Banerjee, a master's graduate in Modern History from Calcutta University, embodies a diverse range of passions. Her heart resonates with the rhythm of creative expression, finding solace in crafting poetic verses and singing melodies. Beyond her academic pursuits, Oindrila has contributed to the educational realm, serving as a teachers' coordinator in a kindergarten English medium school. Her commitment to nurturing young minds reflects her belief in the transformative power of education. Oindrila's guiding principle in life, encapsulated in the motto, "There are two ways of spreading light: to be the candle or the mirror that reflects it,"

Recent Posts